কক্সবাজারে এবার এড. মান্নানকে আটক করলো পুলিশ

কক্সবাজার শহরে মঙ্গলবার ও বুধবার গত দু’দিনে তিন আইনজীবীকে গ্রেফতার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। ২৭ মার্চ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গন থেকে সর্বশেষ বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী আবদুল মান্নানকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয়েছিল আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমির হোসেন (৫৩) ও অ্যাডভোকেট তানভীর ছিদ্দিকী পামেলকে (৩৫)। খোজ নিয়ে জানা যায়, তরুন আইনজীবী পামেল কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আবুল কালাম সিদ্দিকীর বড় ছেলে। পামেলের পরিবারের অভিযোগ, বাবাকে ধরতে গিয়ে না পেয়ে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আইনজীবীদের অভিযোগ, সম্প্রতি পুলিশ ও আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এজাহারে কৌশলি হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কারণেই সিনিয়র আইনজীবীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এডভোকেট আব্দুল মান্নানকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কক্সবাজার শহরে গত ১৫ ফেব্র“য়ারীর সহিংসতায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই মামলায় তাঁকে আদালতে হাজির করা হতে পারে। তিনি আরোও জানান, সোমবার রাতে আটক তানভীর সিদ্দিকী পামেলকে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্র“য়ারী শহওে পুলিশ-জামায়াত সহিংসতায় বিস্ফোরক দ্রব্য বহনের অভিযোগ রয়েছে। তাকে ওই মামলাতেই গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তিনিও স্বীকার করেন, পুলিশের গ্রেফতার আতংকে সিনিয়র আইনজীবীরা গাঁ ঢাকা দিয়েছেন। আইনজীবীরা সাধারণ সভা ডাকার আহবান জানালে জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী পরিষদ কোন উদ্যোগ নিতে পারে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক জুনিয়র আইনজীবী জানান, সিনিয়র আইনজীবীরা গাঁ ঢাকা দেয়ায় জুনিয়র আইনজীবীরা ভীত সন্ত্রস্ত ও হতাশ হয়েছেন। সিনিয়রদের ডিঙিয়ে জুনিয়ররা কোন উদ্যোগও নিতে পারছেন না।
আইনজীবীদের অভিযোগ, গত ১৫ ফেব্র“য়ারী কক্সবাজার শহরে সংঘটিত সংঘর্ষে নিহত তোফাইল আহমদের (২৫) স্ত্রী কোহিনুর সুলতানা, একই ঘটনায় নিহত সদরের ইসলামপুরের নুরুল হকের বোন আরেফা বেগম ও ২৮ ফেব্র“য়ারী ঈদগাঁওতে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত সদরের বোয়ালখালীর আবদুর রশিদের পিতা হাজী ইলিয়াছ মিয়া বাদী হয়ে সোমবার কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে (সদর) পৃথক এই মামলা দায়ের করেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সাইফুল ইসলাম মামলাগুলো আমলে নেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম এজাহার গুলোর শুনানি শেষে খারিজ করে দেন। ওই এজাহার খারিজ হওয়ার পর থেকেই যে সকল আইনজীবী এজাহার গুলোতে কৌশলী হিসেবে শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন তাদের বাড়ি ঘওে রাতেই পুলিশ অভিযান চালায়। সোমবার রাত ১০টার দিকে শহরের ঝাউতলা এলাকার বাড়ি থেকে এজাহার গুলোর প্রদান কৌশলি এডভোকেট আমির হোসাইনকে ও রাত সাড়ে ১২টার দিকে সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট আবুল কালাম সিদ্দিকীর বড় ছেলে তানভীর সিদ্দিকী পামেলকে শহরের এন্ডারসন করে নিয়ে যায় পুলিশ। বাবাকে ধরতে গিয়ে বাড়িতে না পেয়ে ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন আইনজীবীরা।

১৮ দলের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা সহ তাদের নিঃশর্তে মুক্তির দাবী জানিয়েছেন
গত ১৫ ফেব্র“য়ারী কক্সবাজার শহরে ‘আল্লামা সাঈদী মুক্তি পরিষদ’ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে বাধা পরবর্তী হামলা ও ২৮ ফেব্র“য়ারী আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় ঘোষণার পর সৃষ্ট সহিংসতার ঘটনায় গত ২৫ মার্চ সোমবার তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। ১৫ ফেব্র“য়ারী কক্সবাজার শহরে সংঘটিত সংঘর্ষে নিহত তোফাইল আহমদের (২৫) স্ত্রী কোহিনুর সুলতানা, একই ঘটনায় নিহত সদরের ইসলামপুরের নুরুল হকের বোন আরেফা বেগম ও ২৮ ফেব্র“য়ারী ঈদগাঁওতে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত সদরের বোয়ালখালীর আবদুর রশিদের পিতা হাজী ইলিয়াছ মিয়া বাদী হয়ে সোমবার কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে (সদর) পৃথক এই মামলা দায়ের করেন । সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট সাইফুল ইসলাম মামলাগুলো আমলে নেন। তবে রাত পৌনে ৯টার দিকে মামলাগুলো খারিজ করে দেন তিনি।
দায়েরকৃত দুইটি মামলায় কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাবুল আকতারকে প্রধান আসামি ও কক্সবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনকে দুই নাম্বার আসামি করা হয়। এছাড়াও ওই দুইটি মামলায় কক্সবাজার শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের আজাদসহ বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়। অন্য মামলাটিতে ৪৯ জনকে এহাজারনামীয়সহ অজ্ঞাতনামা ৭০-৮০ জনকে আসামি করা হয়। এদের মধ্যে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক (ওসি) এ কে এম মনজুর আলম, ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি উপ-পরিদর্শক মনজুরুল কাদের ভুইয়াকেও আসামি করা হয়। এই মামলায় পুলিশের পাশাপাশি বেশ কিছু আ.লীগ নেতা কর্মীও আসামি হয়।
এদিকে, গ্রেফতারের পর অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সোমবার পুলিশের এএসপিসহ দুই শতাধিক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার আদালতে পৃথক ৩টি মামলার এজাহার জমা দেওয়া হয়। ওই মামলায় অন্যান্য আইনজীবীর মধ্যে তিনিও বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন। এজাহারটি আদালত খারিজ করে দিলেও পুলিশ উদ্দেশ্য মূলকভাবে হয়রানী করে তারা তিন আইনজীবীকে আটক করেছে ।
অপরদিকে, এড. মান্নানসহ আইনজীবীদের গ্রেফতারে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে নিন্দা জানিয়ে আটককৃত আইনজীবীদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন। কক্সবাজারের বিশিষ্ট আইনজীবী উখিয়ার কৃতি সন্তান এডভোকেট আব্দুল মান্নানকে কোন কারণ ছাড়াই পুলিশী গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক হুইপ আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। বিবৃতিতে শাহজাহান চৌধুরী অভিযোগ করেন, রাস্তা থেকে বিনা কারণে একজন আইনজীবীকে থানায় ধরে নিয়ে যাওয়া যে কোন গনতান্ত্রিক দেশে একটি অগনতান্ত্রিক আচরণ ও মানবাধিকার লঙ্গণ। শুধু তাই নয়, নিরাপরাধ একজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ঠুকে দেওয়া কিংবা হয়রানী করা খুবই নিন্দনীয় অপরাধ। এক্ষেত্রে পুলিশের মনে রাখা উচিত, তাদের কাজ কোন নিরাপরাধ মানুষকে হয়রানী করা নয় বরং মানুষের জান মাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা দেওয়া। জেলা বিএনপির  সভাপতি শাহজাহান চৌধুরীর পাঠানো উক্ত বিবৃতিতে তিনি আরো জানান, পুলিশ যদি এডভোকেট আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ঠুকে দেয় তাহলে মনে রাখতে হবে এর পরিনাম খুব একটা শুভকর হবেনা। কারণ পৃথিবীর সব কিছুর উর্ধ্বে মানুষের জন্য তার আল্লাহ রাব্বুল আলামিন রয়েছেন। তিনি সবকিছু দেখেন ও বুঝেন। অতএব জুলুমের কারণে আল্লাহর গজবও নাজিল হতে পারে সংশ্লিষ্ট জালেমের উপর। শাহজাহান চৌধুরী আরো জানান, পুলিশ এর আগেও আরেকজন নিরাপরাধ আইনজীবী আটক করেছে। একের পর এক পুলিশী রোষানলে কক্সবাজারের আইনজীবীরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে। জঘন্যতম এই বিষয়টি আইন ও ন্যায় বিচারের প্রতি পুলিশের নির্যাতন বলে মনে হচ্ছে। কেননা আইনজীবীদের কাজ বাদী কিংবা বিবাদীদের পক্ষে উকালতী করা। কাজেই পুলিশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কয়েকটি মামলায় উকালতীর অপরাধে কক্সবাজার পুলিশ আইনজীবীদের উপর যে হারে জুলুম নির্যাতন শুরু করেছে তা নিন্দা প্রকাশের ভাষাও নেই।
১৮ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দের অন্যান্য মধ্যে আরোও নিন্দা জানান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. শামীম আরা স্বপ্না, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার জেলা শাখার আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান, সেক্রেটারী জেনারেল জিএম রহিম উল্লাহ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলামী সভাপতি হাফেজ ছালামত উলাহ, সাধারণ সম্পাদক মৌলানা ইয়াছিন হাবিব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সভাপতি মৌলানা নূরুল আলম আল-মামুন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরওয়ার কামাল মঞ্জু, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপি’র সভাপতি ছালামত উল্লাহ খাঁন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সভাপতি আরএএম. ইসমাঈল ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ তৌহিদুল্লাহ চৌধুরী, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপি সভাপতি মোহাম্মদ ইফতেখার উদ্দিন শিবলী ও সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম।

৩ আইনজীবীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়ে মুক্তি দাবী করে দুইশতাধিক আইনজীবীর বিবৃতি
পুলিশ কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র আইনজীবী এড. মোঃ আমির হোছাইন কে বিনা পরোয়ানায় গত ২৫ মার্চ রাত অনুমানিক ৮ টার দিকে নিজ চেম্বারে পেশাগত কাজে ব্যস্ত থাকা অবস্থায় গ্রেপ্তার করে এবং এড. আব্দুল মন্নান কে গত ২৭ মার্চ দুপুর ৩ টার সময় জেলা আইনজীবী সমিতির সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়ে আইনজীবীগণ এক বিবৃতিতে বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে পুলিশী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। আজ সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজারের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আইনজীবীরাও নিরাপদ নয়। পুলিশ যখন খুশি তখন যে কাউকে গ্রেপ্তার করে বিভিন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা জড়িয়ে হয়রানি করছে। ইতিপূর্বেও জেলা আইনজীবী সমিতির চার বারের নির্বাচিত সভাপতি ও বর্তমান উখিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এড. একেএম শাহজালাল চৌধুরীকেও গ্রেপ্তার করে। সমিতির সিনিয়র আইনজীবী এড. মোঃ আমির হোছাইন ও এড. আব্দুল মন্নানকে বিনা কারণে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতি প্রদান করেছেন, জেলা আইনজীবী সমিতি কার্যকরী পরিষদের অধিকাংশ সদস্যসহ দুই শতাধিক আইনজীবী।
নব নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের সহ-সভাপতি এড. সব্বির আহমদ, সাধারণ সম্পাদক এড.সিরাজুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক এড. নাজিম উদ্দিন, আপ্যায়ন সম্পাদক এড. শাহাদত হোছাইন, পাঠাগার সম্পাদক এড. মনজুরুল ইসলাম, কার্যকরী পরিষদের সদস্য এড. আবুল আ’লা, এড. মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, এড. সালামত উল্লাহ রানা ও এড. নাজিয়া জাহান শম্পা সহ এড. তাওহিদুল আনোয়ার, এড. আব্দু রশিদ, এড. গিয়াসউদ্দিন, এড. রিদওয়ান ছিদ্দিকী, এড. আবু হেনা, এড. জিয়া উদ্দিন, এড. শাহাবউদ্দিন (৪), এড. এনামুল হক, এড. একে ফিরোজ আহমদ, এড. নুরুল ইসলাম, এড. রফিকুল ইসলাম, এড. জাবেদুল আনোয়ার, এড. সমুন দেব, এড. তারেক আজিজ, এড. হারুণ অর রশিদ, এড. হুমায়ুন আজাদ, এড. রেজাউল করিম রাজু, এড. আমিরুল ইসলাম খোকন, এড. মহিবুল্লাহ, এড. মোশারফ হোসেন টিটু, এড. জামাল উদ্দিন, এড. নূরে আরা শফা, এড. নুরুল আজিম, এড. হাসান ছিদ্দিকী, এড. ফরিদুল আলম, এড. ফরিদুল আলম (৪), এড. নাছির উদ্দিন, এড. সাইফুল হক, এড. সাজ্জাদুল করিম, এড. মোহাম্মদ ইউছুফ, এড. সালা উদ্দিন, এড. হুমায়ুন আজাদ, এড. মিজানুর রশিদ, এড. আব্দুল আজিজ, এড. হারুণ অর রশিদ, এড. মীর হোছাইন, এড. হামিদুল হক, এড. ইউনুছ (২), এড. জাফর উল্লাহ ইসলামাবাদী, এড. আমিনুল হক, এড. আবদু রহমান, এড. কায়সার, এড. আবু তাহের (২), এড. আব্দুস সুবাহান, এড. হালিমুর রশিদ, এড. হোসাইন আহমদ আনচারী, এড. নুরুল মোশেদ আমিন, এড. রমিজ আহমদ, এড. জয়নাল আবেদীন বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন। আইনজীবী নেতৃবৃন্দ সিনিয়র আইনজীবী এড. মোঃ আমিন হোছাইন ও এড. আব্দুল মন্নানকে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানের দাবী জানান। অন্যতায় সাধারণ আইনজীবীদের সাথে নিয়ে কঠোর প্রতিবাদ কর্মসূচী প্রদান করতে বাধ্য হবেন বলেও জানান বিবৃতিদাতারা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।