কুমিল্লায় বাসার বারেন্দায় ককটেল বিস্ফোরনে স্কুল ছাত্র আহত

কুমিল্লা নজরুল একাডেমী কেজির ছাত্র ত্রিয়ান সরকার(৬) শনিবার বাসার বারেন্দায় থাকায় পুরাতন বস্তার মালামালঢালার সময় ককটেল বিস্ফোরনে গুরতর আহত হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় কুমিল্লায় ছাতিপট্রি এলাকার সোহেল মিয়ার মার্কেটের দ্বিতীয় তলার ভাড়াটিয়া পিযুজ সরকারের বারেন্দায় এ ঘটনা ঘটে।’  জানা যায়, সোহেল মিয়া মার্কেটের দ্বিতীয় তলা পিযুজ সরকারের বাসায় বারেন্দায় সকাল সাড়ে ১০টায় সময় একজন ফেরিওলা হাড়িপাতিল ভাঙ্গা ও পুরাতন পেপার কিনার জন্য আসে।

এসময় ভাড়াটিয়া পিযুজ সরকারের মা অঞ্জিলি বালা সরকার  ও তার নাতি ত্রিয়ান সরকার বাসার বারেন্দায় ফেলে রাখা বস্তাটি ফেরিওলাকে দেয়। ফেরিওলা প্রথম বস্তাটি ঢালার পর দ্বিতীয় বস্তা ঢালার সময় হঠাৎ বিস্ফোরন ঘটে। এ বিস্ফোরনে ত্রিয়ান সরকার গুরতর আহত হয়। ককটেলের বিস্ফোরনে স্থানীয় লোকজন ওই বাড়ীতে ভিড় জমায়।

আহত ত্রিয়ানে দাদী অঞ্জিলি বালা সরকার সংবাদমাধ্যমকে জানান, বাসার পুরাতন বোতল, হাড়িপাতিল এবং পুরাতন পেপার গুলোর বাসার বারেন্দায় বস্তা মধ্যে জমিয়ে আসছি গত চারদিন দরে। আজ একজন ফেরিওলা বাসায় বারেন্দা সামেনে এসে বলে পুরাতন জিনিসপত্র আছে কিনা। তখন আমি বারেন্দা সামনে থাকা দুই বস্তা পুরাতন জিনিসপত্র ফেলে রাখা ফেরিওলাকে দেই। ফেরিওলা প্রথম বস্তা জিনিসপত্র ঢালার পর দ্বিতীয় বস্তা ঢালার সময় হঠাৎ করে বিস্ফোরন ঘটে। তখন চারিদিকে সুধু ধোয়া দেকছি। দোয়া সরে যাওয়া পর দেখি আমার নাতি ত্রিয়ান সরকারে হাত এবং পা দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। আমার চিৎকারে আওয়াজে আশে পাশের লোকজন এসে আমার নাতি ত্রিয়ানকে হাসপাতলে নিয়ে যায়।

আহত ত্রিয়ানে পিতা পিযুজ সরকার বলেন, এলাকায় আজ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বসবাস করে আসছি। আমাদের কারো সাথে দন্ড নেই কোন ঝামেলা নেই। কারা এ ঘটনা ঘঠিয়েছে বুঝতে পারছি না।

ককটেল বিস্ফোরনে আওয়াজ শুনে সাথে সাথে বারেন্দায় এসে দেখি আমার ছেলের হাত-পা দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে। তখন স্থানীয় লোকজনদের সহযোগীতা নিয়ে আমার ছেলেকে নিয়ে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে চলে যাই। তার হাতে এবং পায়ে ১০টি সেলাই করতে হয়েছে।

এদিকে ককটেল বিস্ফোরন ঘটনায় কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছে।

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।