টেকনাফে ৩৩ জন মালয়েশিয়াগামী যাত্রী নিয়ে সাগরে ট্রলার ডুবি

টেকনাফে আবারও চোরাইপথে সাগর দিয়ে  মালয়েশিয়া গামী যাত্রী বোঝাই  ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। টেকনাফের সাবরাং কাটাবনিয়া ঘাটের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে শনিবার ৬ এপ্রিল ভোর রাতে এই ট্রলার ডুবির ঘটনায় একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,আদম পাচারকারী দালাল কচুবনিয়ার বশির, মোঃ হামিদ, ইমাম হোছন, মোজাম্মেল, কাটাবনিয়ার গুরা মিয়া, মোঃ সালেহ, নুরুন নবী ও আবদ্ুস সালামের নেতৃত্বে গঠিত সিন্ডিকেট কাটাবনিয়া ঘাট দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাগর দিয়ে চোরাইপথে মালয়শিয়া আদম পাচার করে আসছিল। ৫ এপ্রিল দিবাগত রাতে গভীর বঙ্গোপসাগরে মালয়েশিয়াগামী বড় ট্রলার অপেক্ষমাণ ছিল। আর কাটাবনিয়া ঘাট দিয়ে ছোট ছোট ট্রলার করে যাত্রীদের তুলে সাগরে অপেক্ষমাণ জাহাজে উঠিয়ে দিচ্ছিল। শেষ ট্রিপে ৩টি ছোট ট্রলারে করে কাটবনিয়া ঘাট থেকে যাত্রী তুলে গভীর বঙ্গোপসাগরে অপেক্ষমাণ জাহাজে নিয়ে যাওয়ার সময় গুরা মিয়ার মালিকাধীন ট্রলারটি ৩৩ জন যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়। তম্মধ্যে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের উঞ্চিপ্রাং গ্রামের কবির আহমদ প্রকাশ কালা মিয়ার পুত্র আবুল কালামের(৩৫) লাশ কাটাবনিয়া ঘাটের সৈকত থেকে টেকনাফস্থ ৪২ বিজিবির ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের জোয়ানেরা উদ্ধার করে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। টেকনাফ মডেল থানার  পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার মর্গে প্রেরণ করেছে। অবশিষ্ট ৩২ জনের কোন হদিস পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, প্রচার মাধ্যম গুলোতে প্রচুর লেখালেখি সত্বেও প্রশাসনের নজরদারির অভাবে টেকনাফের উপকূল ভর্তি চিহ্নিত ঘাট সমূহ থেকে চোরাই পথে সাগর দিয়ে মালয়েশিয়া আদম পাচার বন্ধ হয়নি। এ নিয়ে খোদ উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শফিক মিয়া  প্রকৃত মিটিংএ উত্থাপন করলেও প্রশাসন তৎপর হয়নি। এ দিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজার জেলায় বিভিন্ন মামলায় কয়েক হাজার মানুষকে আসামী করা হয়েছে। এরাসহ দাগী আসামী পুলিশের গ্রেপ্তারী এড়াতে চোরাই পথে সাগর দিয়ে মালয়েশিয়া পাড়ি দেওয়ার হিড়িক পড়েছে বলে জানা গেছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।