কুমিল্লায় ৩ দিনের হরতাল শুরু: ককটেল বিস্ফোরণ, ভাংচুর

ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাংচুরের মধ্য দিয়ে রোববার রাত ১০টা থেকে কুমিল্লায় শুর হয়েছে আবারো টানা ৩দিনের হরতাল। ৮, ৯ ও ১০ এপ্রিলের হরতালের সমর্থনে এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে গতকাল রাতে নগরীর কান্দির পাড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এসময় বিক্ষুব্ধ হয়ে তারা আশপাশের দোকানপাট ও বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাংচুর করে। এতে তারা কমপক্ষে ৪০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়।
এছাড়াও পূর্বঘোষিত আজকের হরতালের সমর্থনে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। গত ৬ এপ্রিল নাস্তিক ব্ল­গারদের ফাঁসির দাবিতে আয়োজিত লংমার্চে বাঁধা দানের প্রতিবাদে আজকে সারাদেশে সকাল সন্ধ্যা হরতাল আহবান করেছিল সংগঠনটি। গতকালের মিছিলে নগরীর কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে।
অপরদিকে কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে এবং হরতালের সমর্থনে রাত ১০টায় নগরীর কান্দিরপাড়ে বিক্ষোভ মিছিল শেষে যানবাহন, দোকানপাট ও কমপক্ষে ৪০টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এর আগে সন্ধ্যায় হরতাল পালনের আহবান জানিয়ে জেলা বিএনপির দুটি পক্ষ রোববার রাতে পৃথক পৃথক শোডাউন করে। এক পর্যায়ে মনোহরপুর ময়নামতি গোল্ডেন টাওয়ারে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে কয়েকটি গ্লাস ভাংচুর করা হয়। এঘটনায় পথচারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এসময় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ও ঢাকা টাইমস ২৪ এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রাসেল মাহমুদ সহ ৫ জন আহত হয়। তাদেরকে স্থানীয় মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে সুত্রে জানা যায়।
এদিকে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া  খবর তরঙ্গ ডটকমকে জানান, ৮, ৯ ও ১০ এপ্রিলের হরতালকে সফল করতে ১৮ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্র¯তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন- সরকার রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে বিরোধী দলীয় শীর্ষ নেতাদেরকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করেছে। তাই হরতালের মাধ্যমে সরকারের সকল অগণতান্ত্রিক আচরণে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।