কক্সবাজারের উখিয়ায় কিশোরীকে গণ-ধর্ষন

কক্সবাজার উখিয়ার উপকূলীয় এলাকা উত্তর সোনারপাড়াস্থ বিনোদন স্পট পড়শীতে এক কিশোরী গণ ধর্ষনের শিকার হয়েছে। উখিয়া থানা পুলিশ ধর্ষিতা কিশোরীকে উদ্ধার করে গতকাল শুক্রবার তার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এ ঘটনায় পড়শীর মালিক সহ ২জনকে আসামী করে উখিয়া থানায় একটি ধর্ষন মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে অনেক তদবিরের পর স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা আবু তাদের মেম্বার পুলিশ মামলা থেকে বাদ দিয়েছে।
সরেজমিন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষিতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, জালিয়া পালং ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনারপাড়া গ্রামের সাদেক আলী’র কেয়ার টেকার হিসাবে তার জমি জমা ও বসতভিটা রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছিল হতদরিদ্র পরিবার আমির হোসেনের স্ত্রী শাহানাজ বেগম ও তার কন্যা খতিজা বেগম (১৫)। থানা পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় ধর্ষিতা খতিজা বেগম সাংবাদিকদের জানান, গত বুধবার রাত ১০ টায় তারা মা/মেয়ে বাড়ীর অদূরে থাকা স্বামীর বড় বোন রমিজা বেগমের বাড়ী যাওয়ার পথে বিনোদন স্পট পড়শীর সামনে পৌছলে পড়শীর কেয়ার টেকার ছৈয়দ হোছন চা খাওয়ার কথা বলে মা/মেয়েকে পড়শীতে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে মাকে জোর পূর্বক ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আটকিয়ে রেখে মেয়ে খতিজা বেগমকে পড়শীর একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ২/৩জন লোক পালাক্রমে ধর্ষন করে। খবর পেয়ে উখিয়া থানার এসআই আবুল কাশেম গত বুধবার রাত ১ টায় ধর্ষিতা খতিজা বেগম ও তার মা শাহানাজ বেগমকে উদ্ধার করে। গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উখিয়া সার্কেলের এএসপি ফারুক আহমদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এব্যাপারে ধর্ষিতার মাতা শাহানাজ বেগম বাদী হয়ে ছৈয়দ হোছন (৩০) ও জমির আহাম্মদ (৪৫) সহ ২জনকে আসামী করে উখিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত জমির আহাম্মদ সাংবাদিকদের জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এলাকার একটি মহল তার ভাবমূর্তি ক্ষূন্ন করার জন্য একটি মিথ্যা সাজানো ধর্ষন মামলা দায়ের করেছে। তিনি এব্যাপারে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবী করেন। উখিয়া থানার ওসি তদন্ত নীলু কান্তি বড়–য়া জানান, বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর ও জটিল বিধায় ঘটনাটি তদন্ত পুর্বক ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।