নাঙ্গলকোটে কাজীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে হাফানিয়া মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণীর ছাত্র ও ছাত্রী যুগল প্রেম শেষে করে অবশেষে বাল্য বিয়ের পিড়িতে বসেছেন। টুয়া হাফানিয়া গ্রামের মাহবুবুর রহমান খাঁনের ছেলে মোঃ রিয়াজ উদ্দিন খাঁন একই মাদ্রাসার ছাত্রী তুলাগাঁও পাড়া বালিয়াপুর গ্রামের হাজী রবিউল হকের মেয়ে রাবেয়া আক্তার শিমা। প্রেম মানেনা বয়সের বাধা। বাবা মায়ের অবাধ্য হয়ে মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে গিয়ে হেসাখাল নিকাহ রেজিষ্টার কার্যালয়ের কর্মরত কাজী নজরুল ইসলাম বাল্য বিবাহ জেনেও উৎকোচের বিনিময়ে নিজেই বিয়ে পড়ান এবং কাবিন করেন যা নিকাহ রেজিষ্টার আইনে সম্পন্ন বেআইনী। রিয়াজ উদ্দিন খাঁনের পিতা মাহবুবুর রহমান কাজী নজরুল এর কাছে কাবিননামার জন্য গেলে কাজী কাবিন নামা দেননাই। তিনি বলেন অভিবাবককে বলেন বিয়ের রেজিষ্টেশন দেওয়ার বিষয় আইনি জটিলতা আছে। তাই আমি দিতে পারবো না। উল্লেক্ষ্য গত ১১ মার্চ কাজী নজরুল ৩ লক্ষ টাকা কাবিন করেন। কাবিনের জন্য ৫ হাজার টাকা ছেলে এবং মেয়ের কাছ থেকে আদায় করে। পরে তাদেরকে ৩ হাজার ৭শত পঞ্চাশ টাকার রশিদ প্রদান করে। রশিদে কাজীর সিলমোহর কৃত সাক্ষর রয়েছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসী জানান ঘটনাটি জানাজানি হলে তারই পিতা কাজী আব্দুল হক মক্রবপুর কাজী অফিসে মেয়েকে এনে জোরপূর্বক তালাকনামা রেজিষ্টেশন করেন। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্ল কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।