টেকনাফে কাল বৈশাখী: লবণ মাঠ ও পান বরজের ব্যাপক ক্ষতি

দীর্ঘ ৭ মাস পরে অবশেষে তীব্র দাপদাহের পর গত ১৬ এপ্রিল বিকালে টেকনাফ উপজেলার সবর্ত্র দমকা বাতাসের সাথে এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টি হয়েছে। টেকনাফ উপজেলায় সবশের্ষ বৃষ্টি হয়েছিল গতবছরের ১২ অক্টোবর । এর পর আর দীর্ঘ ৭ মাস বৃষ্টি হয়নি। খাল বিল ডোবা ,নালা,পুকুর সব শুকিয়ে চৌচির হয়ে গিয়েছে। দীর্ঘ খরায় পুড়েছিল ফসল। গত কয়েকদিন ধরে টেকনাফের আকাশে মেঘের আনাগোনা দেখা গেলেও বৃষ্টি হয়নি। ১৬ এপ্রিলও সকালে তেমনি মেঘে ঢেকে যায় টেকনাফের আকাশ। কিন্তু কিছুক্ষনের মধ্যেই আকাশ পরিস্কার হয়ে যায়। বিকালে আবারও কালো মেঘের সাথে শুরু হয় দমকা বাতাস। মেঘ এবং ধূলিতে অন্ধকার হয়ে পড়ে জনপদ। বিকাল পৌনে ৪টা থেকে সোয়া ৪টা পর্যন্ত হালকাভাবে এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। এ সময় বিদ্যুৎও ছিলনা। দমকা বাতাসে ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান, কুঁড়েঘর ও রোহিঙ্গা পল্লীর ছাউনী উড়ে যায়। বসত ঘরের ঘেরা বেড়া, ছোট খাটো গাছ পালা উপড়ে পড়ে এবং গাছের ডাল পালা ভেঙ্গে যায়। পান বরজ ও লবণ মাঠের ক্ষতি ছাড়া বড় ধরনের অন্য কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারী সিন্দাবাদ গত ১৬ এপ্রিলও যথারীতি স্বল্প সংখ্যক যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাতায়াত করেছে। ফেরার সময় সাগরে ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়লেও কোন ধরণের সমস্যা হয়নি বলে জানিয়েছেন টেকনাফের ইনর্চাজ শাহ আলম। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, ঝড়ে বাহারছড়া ইউনিয়নে গাছপালা, কাঁচা ঘরবাড়ি ও পানবরজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সাগরে মাছ শিকাররত ট্রলার ডুবি ও জেলে নিঁেখাজের কোন তথ্য এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।