টেকনাফে শ্বশুর বাড়ীতে গৃহ বধুর মৃত্যু

টেকনাফে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসমা খাতুন (২২) নামে এক গৃহবধুর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ১৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভোররাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাতিয়ারঘোনায়। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে নিহতের পিতা মোঃ ইলিয়াছ। জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৩ টার দিকে আসমার স্বামী মছন আলীর কাছ থেকে অসুস্থ্যতার খবর পেয়ে হাতিয়ার ঘোনা ছুটে যান পিতা মোঃ ইলিয়াছ। সেখানে গিয়ে দেখেন মেয়ের মৃতদেহ। পরে স্থানীয় ব্যাক্তিবর্গের সহায়তায় মেয়ের লাশ নিয়ে নিজ বাড়ী বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়ায়  চলে আসেন। এদিকে মেয়ের মৃত্যু নিয়ে তাদের সন্দেহ হলে থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। এ খবরে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই রাজেশ বড়–য়া লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। টেকনাফ মডেল থানার এসআই ইয়াছিন লাশের সুরতহাল তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তিনি জানান, মৃতের বাম কানে কাল চিহ্ন ও নাক, মুখ থেকে রক্ত আসতে দেখা গেছে। এদিকে জানা যায়, দুই বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে মছন আলীর সাথে আসমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। একপর্যায়ে তাদের সংসারে পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হলে বছরখানেক আগে আছমা বাপের বাড়ীতে চলে যায় এবং স্বামী মছন আলীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও করে। সপ্তাহ খানেক আগে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের মধ্যস্থতায় এ সমস্যার সুরাহার পর গত ১২ এপ্রিল তাকে স্বামীর বাড়ীতে নিয়ে আসা হয়। এর ৬ দিন পর আসমা লাশ হয়ে ফিরলো বাপের বাড়ি। এ ব্যাপারে আসমার স্বামী মছন আলীর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া না যাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।