লাকসামে ফারুকিয়া হাকিমীয়া’র হারবালের নামে অবৈধ ব্যাবসা জমজমাট !

লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)’র আদেশ উপো করে লাকসামে ফারুকিয়া হাকিমীয়া’র যৌন পোষ্টার বহাল তবিয়তে রয়েছে। নির্বাহী’র ১৫ দিন আদেশের কোন তোয়াক্কা করেনি ফারুকীয়া হাকিমীয়া ঔষধালয়। অবৈধ্য লিফলেট, পোষ্টার, ব্যানার ,ফেষ্টুন টাঙ্গিয়ে হারবালের নামে অবৈধ্য ব্যবসা জমজমাট !

অতি সম্প্রতী লাকসামে মোবাইল কোর্টের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মেয়াদ উত্তীর্ণ ও যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। ওইসময় নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহগীর আলম ফারুকীয়া হাকিমীয়ার অশ্লিল পোষ্টার, ব্যানার, ফেষ্টুন, লিফলেট অপসারন করার নির্দেশ প্রদান করেন। অন্যথায় তার প্রতিষ্ঠানের বন্ধসহ যাবতীয় আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে আদেশ করেন। কিন্তু লাকসাম বাজারসহ প্রত্যেক স্থাপনার দেয়ালে যত্রতত্র ভাবে পোষ্টার লাগিয়ে কমলমতি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীরা রঙ্গিন পোষ্টার দেখে আগ্রহ সহকারে এসব পোষ্টার পড়তে দেখা যায়। এতে করে শিশুরা কৌতুহল বসত মা বাবার নিকট ৩ ঘন্টায় য়ৌন সমাধান কি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে। যারফলে পিতামাতা অবুজ শিশুর প্রশ্নের উত্তরে লজ্জিত হয়ে পড়েন। হাট বাজার, অলিগলি এমনকি শিা প্রতিষ্ঠানের গেইট গুলোতেও টার্গেট করে বড় বড় অরে একাধিক পোষ্টারে যৌন নামক শব্দ সম্বলি পোষ্টার লাগিয়ে দেয়ায় কমলমতি ছাত্রছাত্রীদের মনেও যৌন সম্পর্কে আগ্রহ দেখা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। কথিতো হাকিম শহিদুল ইসলামের এসব কাজের জন্য লাকসামসহ আশে পাশের উপজেলা রয়েছে তার একাধিক বেতনভুক্ত কর্মচারীসহ অসংখ্য কমিশনধারী দালাল । সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ২৬ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে বাঙ্গড্ডা থেকে ১৪ বছর বয়সী রুদ্র নামে এক ছেলে যৌন টেবলেটের জন্য দীর্ঘন অপো করতে থাকে। সাংবাদিক পরিচয় গোপন রেখে ছেলেটিকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলাম এখানে অপো করছ কেন ? উত্তরে ছেলেটি প্রতিবেদককে জানায় সে প্রতি সপ্তাহে যৌন উত্তেজক টেবলেটের জন্য বাঙ্গড্ডা থেকে প্রতিনিয়ত আসি। এসব ব্যাপারে কথিত হাকীম শহিদুল ইসলামকে বক্তব্য জানতে চাইলে এবং তার ছবি ক্যামারা বন্দি করতে চাইলে অন্যদিকে মুখ ঘুড়িয়ে ফেলে এবং ছবি তুলতে বারন করে পত্রিকায় যেন তার অপকর্ম প্রকাশ যেন না করি কাকুতি মিনতি করে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।