কাকারায় শাহ উমরনগর বেঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় দাঁড়িয়ে আছে সংস্কারবিহীন

চকরিয়া কাকারার অবহেলিত জনপদে জ্ঞানের আলো জ্বালাতে পদে পদে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সংস্কারবিহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শাহ উমরনগর বেঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়। আগ্রহ হারাচ্ছে পাঠদানে শিক্ষকরা। এর সংস্কারে মাথা ব্যাথা করছেন না বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিও।
জানা যায়, উপজেলার শাখের মুহাম্মদচর অন্তর্ভুক্ত কাকারা ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড শাহ উমরনগর বেঃ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার তিনটি বছর পার হয়ে গেলেও এখনো কোন ধরনের সংস্কার হয়নি। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়ছিল ২০১০ইংরেজিতে। সেই আগের কালের মত মাটির তৈরি প্রতিষ্ঠানটির পরিবর্তনও আসেনি। বিদ্যালয়ে অফিস সহ তিনটি কক্ষ আছে। এই  তিনটি কক্ষ নিয়ে টানা পোড়েনে কষ্ট করে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। এতে শ্রেণী কক্ষ রয়েছে ১ম ও ৪র্থ পর্যন্ত। বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী আছে ১৬০ জন এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছে ৪জন। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ক্লাস চলে। এখনও হয়ে উঠছেনা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার উপযুক্ত পরিবেশ। নেই বসার ব্যবস্থা, একই কায়দায় মাটিতেই বসে শিক্ষকরা পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। মানুষ গড়ার কারিগর হয়ে মান সম্মানের তাকিদে জীবন যুদ্ধ লড়াই করে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। একইভাবে স্বপ্ন পথের যাত্রী হলেন অভিভাবকরাও। প্রতিষ্ঠানটি সরকারি অন্তর্ভুক্ত হলেও সরকারিভাবে এখনও কোন ধরনের পায়নি বলে দাবি ভুক্তভোগিদের।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা মমতাজুল হক জানান, কর্ণফুলী নামে একটি সংস্থা আছে। উক্ত সংস্থাটি শুরু থেকেই সহযোগিতা করে আসছেন। তাতে বেশি কিছু না পেলেও অল্প কিছু হলেও সহযোগিতা পাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটি। তিনি আরো জানান, বিদ্যালয়ে আলাদা অফিস কক্ষ না থাকায় হচ্ছেনা বসার সু-ব্যাবস্থা। তীব্র শীত, অতিমাত্রায় গরম ও প্রবল বৃষ্টিতে দিন পার করতে হয় গুণে গুণে। সবমিলিয়ে বিদ্যালয়টি চলছে সংস্কারবিহীন হয়ে। প্রধান শিক্ষক মাওলানা মমতাজুল হক আক্ষেপ করে আরো বলেন, নিজের বেতন থেকে অপরাপর শিক্ষকদের প্রতি মাসের বেতন দিতে হয়। এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কোন ধরনের মাথা ব্যাথা নেই। একই রীতিতে স্থানীয় প্রশাসন ও বৃত্তশালীরা এগিয়ে আসছেন না এ প্রতিষ্ঠানটি উন্নয়নে।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।