সংবাদপত্র বিহীন লক্ষ্মীপুর শহর

১৮ দলীয় জোটের ডাকা বুধ ও বৃহস্পতিবারের দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতালের প্রথমদিন বুধবার (৮ মে) পিকেটিংকারী বিএনপির নেতাকর্মীরা লক্ষ্মীপুর জেলাবাসী সবধরনের পত্রিকা আগুন দেয় পিকেটাররা। তাই লক্ষ্মীপুর জেলা বাসী পত্রিকা পড়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
এছাড়াও গত (১৪ মার্চ) নোয়াখালীর সোনামুড়িতে হরতালে পিকেটিংকারী বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রায় ১৫ হাজার পত্রিকা লুট করে নিয়ে গেছে। ওইসময় বেশ কিছু পত্রিকায় আগুন দেয় পিকেটাররা।
জেলা সংবাদপত্র পরিবেশক সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে আসা সংবাদপত্রবাহী মাইক্রোবাস চালক খোকন ও সুপারভাইজার রেজাউল করিম কুমিল¬া পার হয়ে নাথের পটুয়া বাজারে এলে বিএনপির ৬০ থেকে ৭০ নেতাকর্মী কর্মীরা সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পত্রিকাবাহী গাড়িটি আটকিয়ে ভাঙচুর করে। এ পর্যায়ে তারা সংবাদপত্রবাহী গাড়িটি অবরুদ্ধ করে সব পত্রিকা বের করে অগ্নিসংযোগ করে। এসময় চালকের এক সহযোগিকে তারা মারধর করে।
মাইক্রোবাসে করে পত্রিকাগুলো নোয়াখালীর চাটখিল, লক্ষ্মীপুর সদর, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় নেওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে।
রায়পুর পত্রিকার একমাত্র এজেন্ট ম্যাগাজিন হাউসের স্বত্ত্বাধীকারী আবু তাহের জানান, হরতাল চলাকালে প্রায়ই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা সোনাইমুড়িতে পত্রিকা ছিনিয়ে নিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে পাঠকরা পত্রিকা পড়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আমাদের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।
এ ব্যাপারে জেলা সংবাদপত্র পরিবেশক রহমানিক প্রেসের কর্মকর্তা রাকিব হোসেন জানান, পত্রিকা না আসায় তার ২০ হাজার টাকা লোকসান হবে। তিনি সংবাদপত্র গাড়ি চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।
অপরদিকে জেলা সংবাদপত্র হকার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল সংবাদপত্রের গাড়ি আটক করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানান।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।