মহেশখালী হাসপাতাল ৫০ শষ্যায় উন্নীত হলেও সেবার মান উন্নত হয়নি

মহেশখালীর আলোচিত সমালোচিত একমাত্র হাসপাতাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেছ ৩১ শষ্যা থেকে ৫০ শষ্যায় উন্নিত হলে ও সেবার মান অত্যন্ত নিম্ম মানের । তথ্য নিয়ে জানা যায়, হাসপাতালে টি এস ও ডা: আব্দুল মাবুদ,আর এম ও ডা:মাহফুজুল হক,কর্নসালটেন্ট ডা: নেজাম উদ্দীন,মেডিকেল অফিসার ২,নার্স-২,ওয়ার্ডবয়-২, ঝাড়–দার-৪,কুকিংম্যান-১ থাকা সত্বে ও হাসপাতালে যথাযত চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে না। উপজেলা প্রশাসনের নাগালে এক মাত্র হাসপাতাল ঢুকলেই বুঝা যাই চিকিৎসালয় কাকে বলে রোগীর বিছানার পার্শ্ববতী টয়লেট খানা এমন দুর্গন্ধ মনে হয় দোষখে ঢুকে পড়েছি রোগীর অসুখ বেশী হয় এটা স্বাভাবিক তার পাশাপাশি রোগী কে যারা সেবা করতে যাই তারা ও অসুস্থ হয়ে পড়ে। কুতুবজুম ইউনিয়নের নয়াপাড়া থেকে আসা ডাইরিয়া রোগী ফজল করিম জানান,আমি সকাল থেকে ভর্তি হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাতরাচ্ছি কিন্তু সকালে একবার ডাক্তারের দেখা পেয়েছিলাম সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কোন ডাক্তারের খোঁজ খবর নেই এবং এমন দুর্গন্ধ এখানে থাকার চাইতে বাড়িতে মরে যাওয়াই ভাল। ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের নলবিলা থেকে আসা নিউমুনিয়া রোগী ৩ বছরের বাচ্চার গার্ডিয়ান মৌ:ইছহাক জানান,এখানে কোন চিকিৎসা হচ্ছে না ডাক্তারেরা প্রাইভেট চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত।
অসংখ্য রোগীদের সাথে কথা বলে জানাযায়, এই হাসপাতালের ডাক্তারেরা সরকারী হাসপাতালে চাকরির নাম দিয়ে ভাড়াটিয়া বাসায় ও অফিসে সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে নিজস্ব চেম্বার করে দেয়ালে চিকা মেরে লিখে দিয়ে রোগী প্রথমবার আসলে ১৫০ দ্বিতীয় বার ১০০ টাকা ও অন্যন্য ডাক্তারেরা প্রাইভেট ক্লিনিকে ও অন্যদের ডাক্তারের দোকানে বিভিন্ন কলা কৌশলে প্রাইভেট চিকিৎসা চালিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের টি এস ও ডা: আব্দুল মাবুদের সাথে মোবাইলে আলাপকালে দম্ভোক্তি সুরে বলেন,হাসপাতালে যারা দায়িত্বরত আছেন তাদের দায়িত্ব তারাই পালন করবে তাতে টেনশন করার কিছু নাই।


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।