কক্সবাজারে প্রথমদিনে জামায়াত-শিবিরের অবরোধ

আঠারো দলীয় জোটের টানা ৭২ ঘণ্টা অবরোধের প্রথমদিনে কক্সবাজার শহরের ১২টি স্পটসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ভোর ৬টা থেকে রাজপথে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করে জামায়াত ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।
শহরের ফজল মার্কেটস্থ প্রধান সড়কে সকাল ৮টা থেকে ১২টা পর্যন্ত শহর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তাহের চৌধুরীর নেতৃত্বে সড়ক অবরোধ করে অবরোধ সমর্থকেরা। পুলিশ অবরোধকারীদের লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু গুলী ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। পরে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী ও অবরোধ সমর্থকেরা রাস্তায় টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে ও ইট পাটকেল দিয়ে পুলিশী হামলার প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

তাছাড়া শহরের লিংকরোড, জানারঘোনা, বাসটার্মিনাল, আলিরজাহাল, বিডিআরক্যাম্পসহ বিভিন্ন স্থানে নেতৃত্ব দেন শহর ছাত্রশিবির সভাপতি আ.ন.ম হারুন, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি সাইদুল আলম, সহ-সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল ফারুক, শহর ছাত্রশিবির সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম নোমান, পৌরসভা ছাত্রশিবির সভাপতি হাসান মুহাম্মদ ইয়াছিন, ছাত্রনেতা মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর, জামায়াত ও ব্যবসায়ি নেতা নুরুল আমিন, মুহাম্মদ মহসিন, জাফর সাদেকসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
এদিকে সীমান্ত উপজেলা উখিয়ায় ১৮দলের উদ্যোগে ৭২ঘণ্টার প্রথমদিনে একাধিক স্পটে পিকেটিং ও অবরোধ করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবুল ফজল ও বিএনপি নেতা সুলতান মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়াও জেলার টেকনাফ, কুতুবদিয়া, চকরিয়া, পেকুয়া, ঈদগাঁও, মহেশখালী, রামু উপজেলার বিভিন্নস্থানে অবরোধ পালিত হয়।

অন্যদিকে কক্সবাজার জেলা জামায়াতে ইসলামীর এক বিবৃতিতে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার ও আটক নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে বলেন,অবিলম্বে আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার করা না হলে পর্যটন শিল্পে বিরূপ প্রভাব পড়ে পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার অচল হয়ে পড়ার জন্য প্রশাসনই দায়ী থাকবে বলে নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।