মনোহরগঞ্জে বিএনপি-জামায়াত- আওয়ামীলীগ ত্রিমুখী সংঘর্ষ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মটরসাইকেলে আগুন, আহত ১৫।

কুমিলার মনোহরগঞ্জের নাথেরপেটুয়া বাজারে ১৮ দলীয় জোট ও সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১৫ জন গুরুতর আহন হন। উত্তেজিত সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি কামাল হোসেন ও উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি লিটন এবং আওয়ামীলীগ নেতা ছাদেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ২টি মটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
প্রত্যর্দশী সূত্রে জানা যায়, ১৮ দলের ডাকে অবরোধ চলা কালে নাথেরপেটুয়া বাজারে সড়ক অবরোধ করে বিােভ মিছিল চলাকালে সরকার দলীয়  সমর্থক ও স্থানীয় উত্তর হাওলা ইউপি চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ হিরন, রুবেল, সেলিম, মিজানের নেতৃতে ১৮ দলীয় নেতাকর্মীদের উপরে হামলা চালায়। ওই সময় ১৮ দলীয় জোট ও সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে       আবদুল আউয়াল, আবদুল মোতালেব, মাসুদ, ফারুক, রিপনসহ উভয় পরে ১৫-১৬ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়। এছাড়াও সরকার দলীয় সমর্থকরা ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি হারুন অর রশিদ, যুবদল সভাপতি কামাল হোসেন ও উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি লিটনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ২টি মটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা পুনরায় সংগঠিত হয়ে সরকার দলীয় সমর্থক ছাদেকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও রেল লাইনের একটি ব্রিজে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় নাথেরপেটুয়া বাজারে রণেেত্র পরিনত হয়। লোকজন আতংকিত হয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিগ-বেদিগ ছুটাছুটি শুরু করেন। লাকসাম দমকল বাহিনী ঘটনা স্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এদিকে গুরুতর আহত শিবির কর্মী সুমনকে আশংঙ্খা জনক অবস্থায় কুমিলা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশ ও র‌্যাব ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়।
এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হারুন অর রশিদ জানান, উভয় পে সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।