ছোট মহেশখালীর তেলিপাড়ায় দুই বোনের এক স্বামী

কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার ছোটমহেশখালী ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামে দুই বোনের এক স্বামী নিয়ে দীর্ঘদিন বসবাস করায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৭ নভেম্বরে পিতার অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে মহেশখালী নির্বাহী অফিসার বরাবরে মেয়ে সিরাজ খাতুনের লিখিত স্বারকলিপি সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন মৃত হাজী ফরুমিয়ার পুত্র মোঃ হানিফ পাখি আক্তার এবং লাকি আক্তার নামে দুই বোনকে বিবাহ করে বসবাস করে আসছে। পাখি আক্তার মোঃ হানিফের বৈধ বিবাহিত স্ত্রী হলেও পরে পাখির ছোট বোন লাকিকে এক কন্যা সন্তান সহ অপর বাড়ীতে বিবাহ না করে স্ত্রীর মত সংসার করে আসছে। এই নিয়ে এলাকার মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরী হয়েছে। বর্তমানে বড় বউ পাখি বেগম ও জামাই হানিফকে যাদু টোনা করে একঘোয়ামী করে রেখেছে শালি তৃতীয় বউ লাকি আক্তার। ছোট বউ পাখি আক্তার ও মোঃ হানিফ রাখাইন পাড়াই দুটি অপরিচিত মেয়েকে দিয়ে দেহ ব্যবসা চালাই বলে সূত্রে প্রকাশ। তাদের এই অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সমাজের সচেতন লোকজন বাধা দিলে, তাদেরকে হানিফের মেয়ে রোকসানা বেগম ও কালামারছড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর মেয়ে জনি বেগমকে দিয়ে মিথ্যা ভিত্তিহীন মামলায় জড়াবে হুমকি দেয়। অপরদিকে তৎ কালীন সময়ে তেলীপাড়ার স্থানীয় মৃত ফরুমিয়ার পুত্র মো:হানিফ তার নিজের বিবাহীত ২ মেয়ে কে ভোগ দখল করতে সামান্য জায়গা দিয়ে ছিল। মেয়েরা ও খুশিমতে জায়গাতে বসতবাড়ি নির্মান পূর্বক ফলজ ও বনজ গাছ রোপন করে বসবাস করে আসছে। হঠাৎ শালী লাকি আক্তারের ফাদে পড়ে মেয়েদের দেওয়া যায়গাজমি কেড়ে নিয়ে বসতবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং স্থানীয় ভাবে আপোষ করতে শালিশি বৈটক হয়। উক্ত শালিসে বড় মেয়ে সিরাজ খাতুনের জামাই গিয়েছিল। যাওয়ার সাথে সাথে শশুর হানিফ দারালো দা দিয়ে হত্যার উদ্দ্যোশ্য দোড়াইয়া নিয়ে যায় বড় মেয়ের জামাইকে। তখন থেকে সে আর শশুর বাড়ীতে ভয়ে যায় না। কারণ শশুর হানিফ এক জন ভয়ংকর ব্যাক্তি। তার নামে ং ঃ -২০ জি আর -৮৫৯৭ নং মামলা রয়েছে বলে সূত্রে জানা যায়। লাকী বেগমের বাড়ীর পাশে একটি বেগুন ক্ষেত আছে। ক্ষেতটি দেখা শোনার জন্য একটি ছোট খুড়ে ঘর আছে। প্রতিদিনের ন্যায় ক্ষেতের মালিক সেখানে ক্ষেত দেখা শুনা করতে যাই। হঠাৎ কুড়ে ঘরটিতে মোবাইলের রিং বেজে ওঠে। তখন ক্ষেত মালিক কুড়ে ঘরে গিয়ে দেখতে পায় একটি মোবাইল। ক্ষেতের মালিক ঘরে গিয়ে বলে যে আমাদের ক্ষেতের কুড়ে ঘরে একটি মোবাইল পেয়েছি। কথা বলাবলির এক পর্যায়ে লাকি আক্তার শুনতে পায় যে তার মেয়ে জনির মোবাইল হারিয়ে গেছে এবং বিভিন্ন জায়গায় খুজাখুজি করেও পাওয়া যাইনি। এটি আমার মেয়ে জনির মোবাইল। স্থানীয়রা বলেন, সেখানে রাতের সময় জনির প্রাইভেট মাষ্টার সহ যেতে দেখেছি। তখন মোবাইলটি সেখানে ফেলে এসেছে। ক্ষেতের মালিক ও ইজ্জতের ভয়ে মোবাইলটি দিয়ে দেয় লাকি বেগমকে। নিজ মেয়ে সিরাজ খাতুন পিতার অনৈতিক কাজ থেকে রক্ষা পেতে ও পৈতৃক জায়গা জমির স্বীকৃতী পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।