সাগরে মহেশখালীর ৩টি ফিশিং ট্রলার ডাকাতী

বঙ্গোপসারের মহেশখালী উপজেলার   ৩ টি ফিশিং ট্রলার জলদস্যু কবলিত হয়েছে। এতে ১ জেলে নিখোজ সহ  ৫লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে করেছে দস্যুরা।  গত ১২ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগর থেকে দিবাগত রাতে বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ ধরে উপকুলে ফেরার পথে  দস্যুর কবলে পড়ে এসব ফিশিং ট্রলার।
সুত্রে জানায়, গত এক সাপ্তাহ  আগে মহেশখালীর একাধিক ফিসিং ট্রলার বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরে বেশ কটি ট্রলার  উপকুল ফেরার পথে বঙ্গোপসাগরের ১৬ বিয়া(গুলিদার) এলাকায় উপজেলার কুতুবজুম বড়তলা এলাকার জৈনক আনছারুল করিম বহদ্দারের মালিকানাধিন এফ.বি আল্লাহ দান, ছৈয়দনুর বহদ্দারের মালিকানাধিন একটি ট্রলার, খায়ের হোসেনের কাউন্সিলরের মালিকাধিন একটিসহ ৩টি ট্রলার দস্যুদের কবলে পড়ে ।  ট্রলার  মালিক আনছারুল করিম  জানান, ১৫ মাঝি মাল্লা নিয়ে আমার ৪৫ ঘোড়ার এই ট্রলারটি গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা শেষে ফেরার পথে ১২ ডিসেম্বর ভোররাতে ডাকাতির শিকার হয়। এসময় ট্রলারের মাঝি মাল্লাদের ব্যাপক মারধর  করে মালামাল লুট নিয়ে যায়। ট্রলারের অপরাপর ১৪ মাঝি-মাল্লারা ফেরত আসলেও  ট্রলারের সেকেন্ড মাঝি ছোট মহেশখালীর নলবিলা এলাকার মৃত ফচরন মিয়ার পুত্র আব্দু ছমদ (৩০) সাগের পাড়ে যাওয়ায় নিখোজঁ রয়েছে বলে জানান। এনিয়ে মহেশখালী থানায় তিনি সাধারন ডাইরী করেছে বলে জানান । এেিদক মহেশখালী পৌরসভার কাউন্সিলর খাইর হোসেন জানান, ওইদিন তারও একটি ফিসিং ট্রলার দস্যু কবলিত হয়েছে। এছাড়াও তিনি আরো জানান ডাকাতরা বেশ কয়েকটি ট্রলারের মালামাল লুটপাট করেছে ।
এদিকে জেলেদের নিাপত্তা ,জেলে পরিচয় পত্রসহ একাধিক দাবী জানিয়ে মহেশখালী উপজেলা পরিষদ গেইটে কোস্ট নামে একটি এনজিও সংস্থার সহয়তায় গত ১০ ডিসেম্বর হাজারও জেলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।
সমপ্রতি বাশঁখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া ও শিকভাংগা,সুন্দর বন ও মহেশখালীর দস্যুরা এলাকার দস্যুরা একত্রি হয়ে এ ঘটনা ঘটাচ্ছে বলে একাধিক সুত্রে প্রকাশ।

এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার ওসি আলমগীর হোসেন ও শ্রমিক নিখোঁজের ঘটনায় থানায় জিডিয হওয়ার সত্যতা নিশ্চত করেছ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।