নাঙ্গলকোটে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ নয়: প্রেমের বিয়েতে সহযোগীতা করায় মামলা, গ্রেফতার-১

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে কলেজ ছাত্রী অপহরণ নয়, বিয়ের দিন দুপুরে র্পালারে সাজার নাম করে  সে নিজেই তার বন্ধুদের সহায়তায় পালিয়ে যায়। এ ঘটনাকে চাপা দিতে অপহরণ আইনে পলাতক মুক্তার মামা মো. আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানা একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় একজনকে আটকও করেছে পুলিশ।

গত ১৮ নবেম্বার নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার নাথ মামলা এবং আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, ছাত্রীর নাম খাদিজাতুল কোবরা মুক্তা। সে উপজেলার হাপানিয়া গ্রামের মোস্তফা কামালের মেয়ে। মুক্তা নাঙ্গলকোট মহিলা মডেল কলেজের ছাত্রী এবং এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় সে উত্তীর্ণ হয়েছিল।
এলাকাবাসীর একাদিক সুত্রে জানা যায় পলাতক মুক্তা পাশের গ্রামের চৌধুরী বাড়ির আশ্রাফ শাহজান চৌধুরীর পুত্র তানজিরের সাথে দীর্ঘ ৫বছর যাবৎ প্রেমের সর্ম্পক ছিল।

ঘটনার দিন মুক্তার মা-বাবা তাকে জোর করে বিয়ে দিতে চাইলে মুক্তা র্পালারে সাজার নাম করে  সে নিজেই তার বন্ধুদের সহায়তায় পালিয়ে যায়।

অন্যদিকে তানজির দেশের বাহিরে থাকার কারনে তাতক্ষণিক ভাবে কিছু করতে না পারলেও এক সাপ্তাহ পরে সে দেশে ফিরে আসে এবং মুক্তা ও তানজির তারা দু‘জন দু‘জনকে সরকারি আইন মোতাবেক রেজিষ্টিশানের মাধ্যমে গত ৪ ডিসেম্বার (৭,০০০,০০) সাত লক্ষ টাকা দেনমোহর ধায্য করে বিয়ে সর্ম্পন করেছে। তারা দুজন বর্তমানে চট্রগ্রাম অবস্থান করছে।

অন্যদিকে ঘটনাটিকে অপহরন মামলা সাজিয়ে কনের মামা মো. আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানা একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ১নং আসামী ছিল রিয়াদ, অপর আসামী হল বান্নগরের আফসার ও এয়াকুব।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।