লাকসামে ইউএনও অফিসে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় এবং পুলিশ কতৃক গণ গ্রেফতারের নিন্দা ও প্রতিবাদ

গত ২৫ ডিসেম্বর গভীর রাতে লাকসামের ইউএনও কার্যালয়ে অজ্ঞাতনামা দূূবৃত্ত কতৃক অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন লাকসাম উপজেলা ও পৌর জামায়াতের আমীর যথাক্রমে ডা. আবদুল মবিন ও মাওলানা নুর মোহাম্মদ তাহেরী সেক্রেটারী হাফেজ জহিরুল ইসলাম ও মাওলানা আনোয়ার হোসেন ফারুক। ইসলামী ছাত্রশিবিরের লাকসাম শহর শাখার সভাপতি শাহাদাত হোসেন ও লাকসাম উপজেলা সভাপতি ফয়েজ  আহম্মেদ।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন এ ধরনের ঘটনা অবশ্যই নিন্দনীয়।এ ঘটনার সাথে জামায়াতে ইসলামী কিংবা ইসলামী ছাত্রশিবিরের নূন্যতম কোন সম্পর্ক নেই। নেতৃবৃন্দ  মনে করেন শাসক দলের ক্যাডার বাহীনি কতৃক দেশব্যপী অমুসলিম সম্প্রদায়ের বাড়ীতে হামলা এবং বিচারপতির বাড়ীতে বোমা হামলা করে উদর পিন্ডি বুদোর ঘাডে চাপানোর যে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে লাকসামের ইউএনও অফিসে অগ্নিসংযোগ তারই ধারাবাহিক অংশ মাত্র। জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মত একটি আদর্শবাদী সংগঠন কখনই কোন নাশকতামূলক কর্মকান্ডে বিশ্বাস করেনা। নেতৃবৃন্দ পুলিশ বাহীনি কতৃক অন্যায়ভাবে নিরীহ ছাত্রজনতাকে গ্রেফতার , বাসা বাড়ীতে হামলা ও হয়রানী, ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী সাথে নিয়ে বাড়ী বাড়ী তল্লাশী কতেক অতিউৎসাহী পুলিশ অফিসারের বাড়াবাড়ী লাকসামের শান্তিপূর্ণ অবস্থানকে বিনষ্ট করছে এবং পাকিস্থানী হানাদার বাহীনির নিষ্ঠুর আচরনের কথা ¯নরন করিয়ে দেয়। এ ধরনের পুলিশী হয়রানী কখনই কোন গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে নস্যাত করতে পারেনি এবং পারবেনা বলে মনে করেন।

নেতৃবৃন্দ ইউএনও অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কিংবা প্রকৃত দোষীদের নির্দেশনায় তদন্ত না করে একটু সজাগ হযে তদন্ত করলে বিচারপতির বাসভবনে বোমা হামলার মত আসল রহস্য উদঘাটিত হয়ে যাবে বলে মনে করেন।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ইউএনও অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত সাপেে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার এবং গণ গ্রেফতার বন্ধ করে গ্রেফতারকৃত নিরীহ ছাত্রজনতার  নি.শর্ত মুক্তি দাবী করেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।