লাকসামে পাশের হার প্রাথমিকে ৯৯ দশমিক ৭৬, এবতেদায়ীতে ৯৭ দশমিক ১০শতাংশ

কুমিল্লার লাকসামে সোমবার প্রাথমিক এবং এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২৮ জন। পাশের হার প্রাথমিকে ৯৯ দশমিক ৭৬, এবতেদায়ীতে ৯৭ দশমিক ১০শতাংশ। গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার বাড়লেও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৪৯ জন। এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষকদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
প্রাথমিক-লাকসাম উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় উপজেলার ১৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট পাঁচ হাজার ৬৩৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে। উত্তীর্ণ হয়েছে পাঁচ হাজার ৬২০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১০ জন। তারমধ্যে বালক ১১৩ এবং বালিকা ৯৭ জন। পাশের হার ৯৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
গত বছর এই উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মোট পাঁচ হাজার ৬১৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে পাঁচ হাজার ২২৬ জন উত্তীর্ণ হয়। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৫৯ জন। তারমধ্যে বালক ১২২জন এবং বালিকা ১৩৭জন। পাশের হার ছিল ৯৮ দশমিক ০৩ শতাংশ।
এবতেদায়ী-এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় উপজেলার ২৬টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট এক হাজার ৩৪৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে। উত্তীর্ণ হয়েছে এক হাজার ৩০৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ জন। তারমধ্যে বালক ১৪ এবং বালিকা ৪ জন। পাশের হার ৯৭ দশমিক ১০ শতাংশ। গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার এবং জিপিএ-৫ দু’টিই বেড়েছে।
গত বছর এবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট এক হাজার ৬২৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে এবং এক হাজার ৩৫৬ জন উত্তীর্ণ হয়। জিপিএ-৫ পেয়েছিল তিনজন। পাশের হার ছিল ৯৬ দশমিক ৮২ শতাংশ।
লাকসাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাখন লাল নাথ বলেন, এ বছর পরীক্ষা চলাকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে শিক্ষার্থীদের মাঝে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তিনি ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, জিপিএ-৫-এর সংখ্যা কমলেও গড় ফলাফল অনেক ভালো।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।