নীলফামারীর তিনটি ভোটকেন্দ্রে আগুন

নীলফামারী-১ আসনের তিনটি ভোট কেন্দ্র শনিবার ভোর রাতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিভিয়ে ফেলা হলেও কেন্দ্রগুলো আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আগুন দেয়া কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের সাত নং ওয়ার্ডের বটতলা মাদ্রাসা, বামনিয়া ইউনিয়নের বারবিশা গোবাচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ডোমার সদর ইউনিয়নের চিকনমাটি ভাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালায় ভোট কেন্দ্র।

এছাড়া শুক্রবার রাতে ডোমার উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পর পর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে দুর্বৃত্তরা। এসময় সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) কফিল উদ্দিন বলেন, “আমি ঘটনাস্থলগুলো পরির্দশন করেছি। তেমন বড় কোনো নাশকতার ঘটনা ঘটেনি।”

এদিকে, ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারীর চারটি আসনের মধ্যে দুটি আসনের ২৪৪টি ভোট কেন্দ্রে ৫ জানুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে প্রশাসন একশ ৩৩টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

সূত্র মতে, প্রশাসনের তালিকায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো হচ্ছে-  নীলফামারী-৩ (জলঢাকা-কিশোরগঞ্জ আংশিক) আসনে মোট ১০৭টির মধ্যে ৭৪টি ও নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে ১৩৭টির মধ্যে ৫৯টি ভোট কেন্দ্র। উপজেলাভিক্তিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হচ্ছে ডোমার উপজেলায় ২৪টি ও ডিমলা উপজেলায় ৩৭টি, জলঢাকা উপজেলায় ৬০টি ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার ১৪টি ভোট কেন্দ্র।

নীলফামারী-১ আসনে তিনজন প্রার্থী ও নীলফামারী-৩ আসনে দু’জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। অপর দুটি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আসাদুজ্জামান নূর ( নীলফামারী-২) ও জাতীয় পার্টির শওকত চৌধুরী (নীলফামারী-৪)।

নীলফামারী জেলা রিটার্নিং অফিসার মিসেস জাকিয়া সুলতানা জানান,  নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে মোট তিন লাখ ৩২ হাজার ৮৬৯ জন ও নীলফামারী-৩ আসনে মোট দুই লাখ ৬১ হাজার ৪৪৬ জন ভোটার রয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।