লাকসামে নির্বাচনোত্তর ব্যাপক সংঘর্ষ, বাড়ীঘর, দোকানপাট ভাঙচুর, আহত অর্ধশতাধিক

কুমিল্লার লাকসামের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনোত্তার সংঘর্ষে বাড়ী ঘর, দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। নির্বাচনের জের ধরে বিএনপি-জামায়াত ও আ’লীগের নেতা-কর্মীদের সাথে পুলিশবাহিনীর চত্রচায়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষে পৌরসভার পশ্চিমগাঁও, গৌবিন্দপুর, ইরুয়াই, নারায়নপুর ও গাজীপাড়ে জামায়াত-বিএনপির ৩০টি বসতঘর ও ১০টি দোকানপাট ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে বহিরাগতরা সংঘর্ষে জড়ায়।
স্থানিয় সুত্রে জানা যায়, লাকসাম পৌরসভার উত্তরপশ্চিমগাও কাজী মাউথ পাড়ায় ২০টি বসতঘর ও ৫টি দোকান, গৌবিন্দপুর বাজারে ৮টি দোকান, ইরুয়াইনে ৫টি বাড়ীতে হামলায়, অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।

সংঘর্ষে, বিএনপি কর্মী আব্দুল আলীম, গৌবিন্দপুরের খোরশেদ মিয়া, ইরুয়াইনের আবুইউসুফ, জুয়েলের বসত বাড়ী, গৌবিন্দপুর বাজারে ডা: আহসান, ডা: গোলাম কিবরিয়ার র্ফামেসী, সাইফুল,গফুর, বিএনপি নেতা আব্দুস সাত্তার ও মিন্টু’র চা দোকান ভাংচুর করা হয়।

এ সংঘর্ষে প্রায় ৫০ জন হামলার শিকার হয়। আহতরা হলেন বিএনপির সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আব্দুর রশিদ, কান্দিরপাড় ইউনিয়ন দক্ষিনের ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবু ইউছুফ, যুগ্ন আহ্বায়ক জুয়েল,৭নং ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি এরশাদ হোসেন, শ্রমিকদল নেতা হানিফ মিয়া, নরপাটির ছাত্রদল নেতা সাগর, ইরুয়াইনের নয়ন, সবুজ,জহির, ওয়াদুদ, মো: শাহেদ চৌধুরী, সোহেল, মোতালেব, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুর রহিম, আবু হামজা, হানিফ সহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।