শিবির কর্মী নিহত, গুলিবিদ্ধ: ভাংচুর-লুটপাটের ঘটনা তদন্তে পুলিশ কর্মকর্তারা

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে উপজেলার মধ্য কেরোয়া গ্রাম ও সিমান্তবর্তী মাছিমপুর বাংলা বাজার এলাকায় শিবির কর্মী নিহত ও গুলিবিদ্ধ এবং  নির্বাচনের পরদিন ৬ আ’লীগ নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নি সংযোগ, ভাংচুর লুট-পাটের ঘটনায়  মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারী)  বিকালে উর্ধŸতন পুলিশ কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

এসময় লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার আবুল ফয়েজ, মেজর শাদনান, রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম ভুইয়াসহ উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও আ’লীগ নেতৃবৃন্ধ।

জানাযায়, সোমবার রায়পুর উপজেলার মধ্য কেরোয়া গ্রামে দুবৃত্তরা আ’লীগ নেতা আতিক উল্ল্যার প্রায় ৬০ হাজার টাকার মালামাল, চন্ডিপুর ইউনিয়নের মাছিমপুর বাংলা বাজার এলাকার আ’লীগ নেতা মোঃ শাহজাহান পাটোয়ারীর নগদ ২ লাখ ৮০ হাজার টাকাসহ ৮ লাখ টাকার মালামাল, মোঃ কামাল হোসেনের নগদ ৩৫ হাজার টাকাসহ ২ লাখ টাকার মালামাল, মোঃ জহির হোসেনের নগদ ১৫ হাজার টাকাসহ ২ লাখ টাকার মালামাল, মোঃ জহিরুল ইসলামের নগদ ১৫ হাজার টাকাসহ ১ লাখ টাকার মালামাল ও তাজল ইসলামের ফসলি ক্ষেতের ২লাখসহ ৪ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়।  এসব ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা পরিদর্শনে এসেছেন।

যোগাযোগ করা হলে পুলিশ সুপার আবুল ফয়েজ বলেন, নির্বাচনের সময় মাছিমপুর এএমএম উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে সংঘর্ষের সময় ১জন নিহত, কয়েকজন গুলিবিদ্ধসহ আ’লীগ নেতাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর লুটপাটের ঘটনা তদন্তে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।

প্রসংঙ্গতঃ রোববার দুপুরে মাছিমপুর এএমএম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পুলিশ ও শিবির সংর্ঘষে বর্ডার এলাকার মোঃ রুবেল নামের ১ শিবির কর্মী নিহত, ৫ নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ ও পুলিশের একজন এএসআইসহ ৭ পুলিশ সদস্য গুরুতর জখম হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার এসব সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।