বিচ্ছিন্ন ঘটনা মধ্য দিয়ে ৯৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ

বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, জালভোট, কেন্দ্র দখল ও ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের মতো বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম দফায় ৯৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এ পর্যন্ত পাবনার সুজানগর, বরিশালের গৌরনদী, ভোলার লালমোহন ও ঝিনাইদহের শৈলকুপায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপির সমর্থিত চার প্রার্থী নির্বাচন বয়কট করেছেন। এছাড়া, সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। যেসব জেলায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে সেখানে এখন চলছে ভোট গণনার কাজ।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল চারটা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ভোটার। দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির পক্ষ থেকে কয়েক দফা সম্মেলন করে নির্বাচনে কারচুপি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করা হয়েছে। তবে সরকারি দল এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হচ্ছে।

প্রথম ধাপের এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট এক হাজার ২৭৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪৩২, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫১৩ জন ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩২৯ জন আছেন। ৯৭টি উপজেলার মোট ভোটার এক কোটি ৬৪ লাখ ৭৮ হাজার ১৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮১ লাখ ৯১ হাজার ৫৩৭ জন এবং নারী ৮২ লাখ ৮৬ হাজার ৬৩৫ জন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছয় হাজার ৯৯৫টি এবং ভোটকক্ষ ৪৩ হাজার ২৯০টি। রিটার্নিং অফিসার ৪০ জনই সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক। সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন ৯৭ জন। প্রিজাইডিং অফিসার ৬৯৯৫ জন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।