ঝালকাঠির আমুয়া লঞ্চঘাটের ডুবে যাওয়া পল্টুন ৭দিনেও উদ্ধার হয়নি

ঝালকাঠির কাঠালিয় উপজেলার আমুয়া বন্ধর লঞ্চঘাটের পল্টুনটি ৭ দিনেও উদ্ধার হয়নি। ৭ দিন পূর্বে এ পল্টুনটির তলদেশ ছিদ্র হয়ে ভিতরে পানি ডুকে হলতা নদীতে আংশিক ডুবে যায়।

 

ফলে এক সপ্তাহ যাবৎ চরম দূর্ভোগে পরে যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা। পল্টুনের তলায় অসংখ্য ছিদ্র হয়ে এর মধ্যে পানি ঢুকে অর্ধেকাংশ তলিয়ে নদীর দিকে ঝুকে থাকায় আমুয়া লঞ্চঘাটে কোন লঞ্চঘাট দিতে পারেনি। পল্টুন তলিয়ে যাওয়ায় বন্দরের বিভিন্ন স্থানে নদীর চরে লঞ্চ থামিয়ে কাদা-পানির মধ্যে যাত্রী ওঠা-নামা করছে। ফলে ভোগান্তি স্বীকার হয়েছে হাজার হাজার যাত্রী। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে বৃদ্ধ, নারী ও শিশুরা। আমুয়া বন্দরের ব্যবসায়ী দেবনাথ জানান, মোকাম থেকে কাপড়ের বস্তা (গাইট) পল্টুন না থাকায় নৌকা অথবা নদীর চরে নামাতে সময় এবং অর্থ দুটোরই অপচয় হচ্ছে। পল্টুন লস্কর মোঃ ছগির তালুকদার জানান, পল্টুনটিতে ছিদ্র থাকায় পানিতে তলিয়ে গেছে। সাথে সাথে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিসয়টি জানানো হয়েছে।

 

আমুয়া পল্টনের ইজারাদার মোঃ ইব্রাহিম জোমাদ্দার অভিযোগ করে জানান, ৭ বছর পূর্বের দেয়া পল্টুনটির বিভিন্ন স্থানে ছিদ্র হয়ে যাওয়ায় পল্টুনটি জরাজীর্ণ হয়ে পানিতে তলিয়ে গেছে। দীর্ঘদিন যাবত এ জরাজীর্ণ অবস্থা হওয়ার ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিএ ’র উধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বার বার বলা সত্ত্বেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি।  গত দুই দিন যাবৎ বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ চেষ্টা করে ও পল্টুনটি উদ্ধার করতে পারেনি। বিআইডব্লিউটিআইএ বরিশাল নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিদর্শক সোহরাব হোসেন জানান, পল্টুনের তলদেশে বড় ধরনের ফাটল থাকায় ভিতরে ঢোকা পানি অপসারন করা যাচ্ছেনা।  তাই এটি উদ্ধারে আরও দুই তিন দিন সময় লাগতে পারে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।