লাকসামে অবৈধ পরীক্ষার ফি না দেয়ায় রোদে দাঁড় করিয়ে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন

কুমিল্লার লাকসামে পরীা ফি না দেয়ার অভিযোগে  মঙ্গলবার শিক্ষার্থীকে চৈত্রের প্রখর রোদে এক ঘন্টা দাঁড় করে রেখে শাস্তি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থীদেরকে রোদে দাঁড় করিয়ে শাস্তি দেয়ার প্রতিবাদে এবং অবৈধ পরীক্ষার ফি বাতিল ও অভিযুক্ত শিকের শাস্তির দাবীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন এক অভিভাবক।

অভিভাবকের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, উপজেলার ভাকড্ডা উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারী নীতিমালা উপেক্ষা করে ত্রৈমাসিক মূল্যায়ন পরীক্ষায় ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণীর পরীক্ষার ফি ২’শ ৫০টাকা ও ৯ম-১০শ্রেণীর পরীক্ষার ফি ৩’শ ৫০টাকা এবং ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণীর বিবিধ খরচ ২’শ টাকা, ৯ম-১০ম শ্রেণীর ৬’শ টাকা অবৈধ ভাবে ধার্য্য করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ওইদিন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার প্রবেশপত্র নিতে আসলে পরীক্ষার ফি ও বিবিধ খরচ পরিশোধ করার নির্দেশ দেন শ্রেণী শিক্ষক। ধার্য্যকৃত টাকা দিতে না পারায় শিক্ষার্থী তানিমা আক্তার, নাছরিন আক্তার, রিমা আক্তার (প্রতিবন্ধি), প্রিয়া, পারভীন আক্তার, সুমী আক্তার, হারুন রশিদ, রাসেল ও রফিকুল ইসলামসহ একাধিক শিক্ষার্থীকে ১ ঘন্টা চৈত্রের প্রখর রোদে দাঁড় করিয়ে রাখেন শিক্ষক আবদুল মজিদ ও ফরিদুল ইসলাম।

শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করায় অভিভাবক ও অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বিুদ্ধ হয়ে প্রধান শিক্ষকসহ ওই দুই শিক্ষকের শাস্তি, অতিরিক্ত ফি ও বিবিধ খরচের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে অভিভাবক খোকন মিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মাধ্যমিক শিা অফিসারের নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

প্রধান শিক্ষক আবদুস ছাত্তার পরীক্ষার ফি ও বিবিধ খরচের বিষয় স্বীকার করে জানান, ওইদিন তিনি অফিসের কাজে উপজেলায় ছিলেন। শিক্ষার্থীদের শাস্তির বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি এডভোকেট আবু তাহের জানান, শিক্ষার্থীদের শাস্তি ও অতিরিক্ত পরীার ফি আদায়ের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।