জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে

চকরিয়ায় জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের চতুর্থদিন বিক্ষোভ উত্তাল হয়ে উঠেছে পৌর শহর। অভিযানের পরেরদিন থেকে কর্মসূচি পালনে ঢিলেঢালাভাবে চললেও বৃহস্পতিবার রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হয়েছে কর্মসূচি আহবানকারী ও বেকায়দায় পড়া গ্রাহকরা। অনুষ্ঠিত হওয়া সভা-সমাবেশে বক্তাদের বক্তব্যে বিপ্লব মুখর বক্তব্য উপস্থাপিত হলেও শ্রোতাদের অবস্থানের পরিবেশ ছিল স্বাভাবিক। সংঘটিত হয়নি কোন ধরনের সহিংস পরিস্থিতি। সর্বসাধারণের অসহিংস আন্দোলনে একটাই দাবি, অবিলম্বে জব্দকৃত স্বর্ণালংকার ফেরত ও আটক ব্যবসায়ীদের মুক্তি দেয়া হোক।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আরাকান মহাসড়কে জুয়েলারি ব্যবসায়ী সমিতির আহবানে সর্বস্তরের হাজার হাজার নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল। এসময় সড়কের দু’পাশে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নেয় উপস্থিত জনসাধারণ।

মানববন্ধনোত্তর সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া পৌরসভা মেয়র নুরুল ইসলাম হায়দার, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বুলবুল, চকরিয়া প্রেসকাবের সভাপতি এম. জাহেদ চৌধুরী, মাতামুহুরী সাংগঠনিক থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিন বাবুল, জুয়েলারি সমিতি সাবেক সভাপতি রতন বরণ দাশ, পৌর কাউন্সিলর লক্ষণ দাশ মহাজন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুলাল কান্তি সুশীল, চকরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যাপক রূপম ধর, জুয়েলারি সমিতির নেতা সুনীল কান্তি মহাজন প্রমুখ।

বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দাবি আদায় না হলে কঠোর থেকে কঠোরতর কর্মসূচি দিয়ে সারাদেশ অচল করে দেয়া হবে। উপজেলা জুয়েলারি সমিতির আহবায়ক হারাধণ দাশ প্রকাশ সোনা মহাজনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন পরবর্তী এক বিক্ষোভ মিছিল পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এদিকে  বৃহস্পতিবারও বন্ধ ছিল উপজেলার সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান। চারদিন ধরে তালা ঝুলানো ধর্মঘটে অচল এসব স্বর্ণের দোকানের শাটার গ্রীলে টাঙ্গানো হয়েছে দাবি সম্বলিত নানান ব্যানার ও ফেস্টুন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।