জ্বীনের আগুণে পুড়লো ১২টি বসত ঘর

জ্বীনের আগুণে পুড়ে গেল ১২টি বসত ঘর ও ২০টি খড়ের গাধা। আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে ভুক্তভোগীরা। যে কোন সময় আবার কার ঘরে আগুণ দেয় জ্বীন। সে চিন্তায় রাত-দিন পানির বালতি ও কলসি নিয়ে র্নিঘুম পাহারা দিচ্ছে এলাকাবাসী। ঘটনাটি ঘটে গত ৬দিনে কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার ইরুয়াইন গ্রামে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে রুস্তুম আলী ড্রাইভারের ঘরে আকস্মিকভাবে আগুন লেগে আসবাবপত্র পুড়ে যায়। স্থানীয় জনতা ছুটে এসে আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু কি ভাবে আগুন লেগেছে তা নিরুপন করা যায়নি। পরদিন শুক্রবার রমিজ উদ্দিন, মতি লাল ও ধীরেন্দ্র নাথের বাড়িতেও একই পন্থায় আগুন লাগে।

 

এছাড়াও শনিবার থেকে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত নেয়ামত, হাসেম ড্রাইভার, আবদুর রশিদ, মোহাম্মদ আলীসহ বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন লেগে অন্তত ১২টি বসত ঘর ও ২০টি খড়ের গাধায় পুড়ে যায়।

 

ভুক্তভোগী রুস্তুম আলী, মতি লাল ও হাসেম ড্রাইভার জানান, আকস্মিকভাবে ঘর ও খড়ের গাধায় আগুন লেগে ণিকের মাঝেই সব ভস্মিভূত হয়ে যায়। দু’একটি বাড়িতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও অধিকাংশ খড়ের গাধাগুলো পুড়ে গিয়েছে। আমরা ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী দিন-রাত পাহারা দিয়ে আগুন লাগানোর ঘটনায় কাউকে সনাক্ত করতে পারেনী। যার ফলে এ কাজ জ্বীনে করেছে বলে আমরা মনে করি। আকস্মিক আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা বালতি, কলসি, ড্রামে পানি ভর্তি করে রেখেছি। শিশু ও মহিলাদেরকে নিয়ে এ ৬দিন যাবৎ আতঙ্কে দিনাতিপাত করছি।

 

লাকসাম থানা অফিসার ইনচার্জ মনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, আগুন লাগার সংবাদটি পেয়েছি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সফিউল আলম জানান, এলাকাবসীর নিরাপত্তা ও প্রকৃত ঘটনা উৎঘাটনে থানা পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।