খোঁজ মিলেছে কুমিল্লা থেকে অপহৃত ব্যবসায়ী মহিউদ্দিনের

কুমিল্লা থেকে অপহৃত ভ্রাম্যমান ব্যবসায়ী মহিউদ্দিনের খোঁজ মিলেছে। মহিউদ্দিনকে গ্রেফাতারের পর র‌্যাব নবীনগর থানায় হস্তান্তর করেছে। ঢাকার র‌্যাবের ইন্টিলিজেন্স ব্রাঞ্চ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ যৌথ ভাবে মহিউদ্দীনকে আটক করে ছিলো। খোঁজ নিয়ে জনা গেছে এ কারনে বিষয়টি কুমিল্লা আইন-শৃংখলা বাহিনীর জনাছিলোনা। আটক মহিউদ্দীন একজন চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও প্রতারক। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর বগডহর গ্রামের মহিউদ্দিন মদনকে (৪১) ঢাকার র‌্যাবের ইন্টিলিজেন্স ব্রাঞ্চ সোমবার রাতে কুমিল্লা শহরের মুনসেফবাড়ি রোডের ভাড়াবাসা থেকে গ্রেফতার করে।
জানা যায়, মহিউদ্দিন মদন গত তিন মাস ধরে কুমিল্লা থেকে মোবাইল ফোনে নবীনগর শহরের হিন্দু ব্যবসায়ীসহ ৩০/৩৫ জন ধর্ণাঢ্য ব্যক্তির কাছে চাঁদা দাবি করে ও চিরকুট দিয়ে আসছে। চাঁদা না দিলে তার বাহিনীর মাধ্যমে ওই ব্যক্তির বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ পর্যন্ত পাঁচটি মোটর সাইকেলসহ ৭টি বাড়িতে আগুন দেয়া হয়। এসব ঘটনায় ভয়ে ২/১ জন ব্যক্তি চাঁদাও দেয়। এই ঘটনায় নবীগনরবাসী আতঙ্কে ছিল। নবীনগর থানার পুলিশ মোবাইল নম্বর ও চিরকুট র‌্যাবের কাছে দিলে র‌্যাবের ইন্টিলিজেন্স ব্রাঞ্চ ও পুলিশের সমন্বয়ে প্রযুক্তির মাধ্যমে চাঁদাবাজ ও চিরকুটের মূল হোতা মহিউদ্দিন মদনকে সোমবার রাতে গ্রেফতার করে বুধবার নবীগনর থানায় সোপর্দ করে। তার বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় তিনটি মামলা ও চারটি সাধারণ ডায়রি রয়েছে। এলাকাবাসি জানায়, বগডহর গ্রাম থেকে ১০বছর পূর্বে চুরি ডাকাতির অপরাধে গ্রামবাসী মহিউদ্দিনকে বের করে দেয়। ওসি রূপক কুমার সাহা বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, তিন মাস যাবত মানুষকে মোবাইল ফোনে ভয় ভীতি দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ ও আগুন দিয়ে বাড়িঘর পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় ঢাকা র‌্যাবের ইন্টিলিজেন্স ব্রাঞ্চ ও সহকারী পুলিশ সুপার নবীনগর সার্কেল শফিউর রহমান ও পুলিশের সমন্বয়ে প্রযুক্তিগত পদ্ধতি ব্যবহার করে এই ঘটনার মূল হোতা মহিউদ্দিনকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।