ভোলায় নিয়োগবোর্ড নিয়ে তেলেসমাতি অনিয়ম দেখে কেটে পড়লেন সভাপতি

ভোলায় মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অনিয়মের কারনে নিয়োগবোর্ড থেকে কেটে পরেছেন বোর্ডের সভাপতি। প্রার্থিরা বলছেন অধ্যক্ষ ও সভাপতির দ্বন্দে তাদের অসহাত্য নিয়ে খেলছেন প্রতিষ্ঠান কতৃপক্ষ। অনেক প্রর্থী ব্যাংকড্রাপ এর  টাকা দিয়ে দরখাস্ত করেও পাননি নিয়োগ পরিক্ষার কার্ড। অনিয়ম দেখে আরবী প্রভাষক নিয়োগ বন্ধ করে দিয়েছেন ভোলা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ।
সরেজমিনে জানাযায়, ১৫ মে ভোলা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে ইলিশা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার নিয়োগ পরিক্ষার অযোজন করা হয়। নিয়োগ পরিক্ষার কথা সকাল ৯ টায় হওয়ার কথা থাকলেও মাদ্রাসার  অধ্যক্ষ ও গভর্নিংবডির সভাপাতির দ্বন্দের কারনে তা দুই ঘন্টা পিছিয়ে বেলা ১১ টায় নেয়া হয় এর পরেও সভাপতি উপস্থিত না হয়ে কিছুক্ষণ পড়ে আসবে বলে ইসলামি ইউনিভার্সিটি থেকে আসা আরবী প্রভাষক প্রতিনিধি লিখিত পরিক্ষা শুরু করেন। আরবী প্রভাষকের লিখিত পরিক্ষা শুরুর সাথে সাথে প্রশ্ন পত্রের বিভিন্ন অনিয়ম দেখিয়ে তাৎক্ষনিক কামাল হোসাইনসহ দু’ই প্রার্থী পরিক্ষা কেন্দ্র বর্জন করেন। এসকল অনিয়ম দেখে নিয়োগবোর্ডের ডিজির প্রতিনিধি ভোলা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ পারভীন আকতার প্রভাষক আরবী পদের নিয়োগের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। এদিকে নিযোগ বোর্ডে সভাপতির উপস্থিতি নিয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আশরাফ আলী জানান, সভাপতি আব্দুরব মিয়ার পছন্দের প্রার্থিকে নিয়োগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তিনি নিয়োগ বোর্ডে আসেননি। এ ছাড়াও সভাপতি এর আগের একটি নিয়োগ পরিক্ষায় মোটা অংকের টাকা নিয়ে জাফর ও রুমা বেগম নামের দু’জন অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। সভাপতি আবদুরব মিয়ার কাছে ফোন করা হলে তার ছেলে মোহাম্মদ হোসেন মিয়া বলেন, তার বাবা অসুস্থ্য, নিয়োগ পরিক্ষার অনিয়মের ব্যাপারে সবকিছু মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জানে, আর পূর্ব থেকে অনিয়মের কথা জানতেন বলেই সভাপতি নিয়োগবোর্ডে উপস্থিত ছিলেননা। এদিকে নিয়োগ পরিক্ষার  কার্ড না পাওয়া প্রার্থী আল-আমীন জানান, তিনি সকল কাগজ পত্র যাচাই করে জমা দেয়া সত্বেও তাকে নিয়োগ পরিক্ষার কার্ড না দিয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বড় অংকের টাকার বিনিময়ে একটি পাতানো নিয়োগ বোর্ড গঠন করেছেন, গরিবের পক্ষে আল্লাহ আছে বলেই ভোলা কলেজের অধ্যক্ষ্য তা বন্ধ করে দিয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে ডিজির প্রতিনিধি ভোলা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ পারভীন আকতার বলেন, আমি আরবী প্রভাষক নিয়োগ নিয়ে অনিয়ম বুঝতেপেরে নিয়োগের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি। পরবর্তীতে সভাপতিকে নিয়ে আবার নিয়োগ বোর্ড গঠন করে আরবী প্রভাষক পদে নিয়োগ দেয় হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।