হোয়াইক্যংয়ে প্যারাবন কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই

টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্তে উপকূলীয় অঞ্চলে নিয়োজিত প্যারাবন কর্মীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারী দায়িত্ব নয়, নিজের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য দায়িত্ব পালন করে থাকে এমনিই অভিযোগ উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত জনসাধারণের। উৎকোচের বিনিময় মিয়ানমারের চোরাইকৃত জ্বালানী কাঠ অনুপ্রবেশ, উৎকোচ না দিলে মিথ্যা মামলা প্রদান, উপকূলীয় অঞ্চলে নারীদের সাথে ভয়ভীতি প্রদর্শন প্রভৃতি অভিযোগে অভিযুক্ত প্যারাবন কর্মীরা। বিশেষ করে হোয়াইক্যংয়ের ফরেস্ট গার্ড মানিকের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, হোয়াইক্যং উপকূলে অঞ্চলে নিয়োজিত প্যারাবন কর্মীদের বিরুদ্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে উপকূল অঞ্চবাসী। হোয়াইক্যংয়ের জেলে যথাক্রমে ইউনুছ, আমিনা, মিরকাশেম, ইউসুপ, রবিউল আলম, লাল মোহাম্মদ হোছন অভিযোগ করে বলেন, আমাদের একমাত্র ভরসা নাফ নদী। এ নদী হতে মাছ আর ভেসে আসা জ্বালানী কাঠ দিয়ে আমরা জীবিকা নির্বাহ করে থাকি।

 

বাংলাদেশের সীমান্তে কোন গাছ আমরা কখনো কর্তন করি নাই, কৌশলে মিয়ানমার থেকে জ্বালানী কাঠ সংগ্রহ করি। এ কাঠ সমূহ কূলে নিলে মাত্র প্রতি সপ্তাহে জনপ্রতি ৫শত টাকা করে হোয়াইক্যংয়ের বনকর্মীদের উৎকোচ দিতে হয়। অন্যথায় মামলার ভয় দেখিয়ে দেয়। বিগত কয়েক মাসে টাকা না দেয়ায় ওই ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে করা হয়েছে মিথ্যা মামলা। আমিনা বেগম জানান- ফরেস্ট গার্ড মানিক আমার বাড়িতে এসে একাধিকবার টাকা নিয়ে গেছে। গত ২২ মে হোয়াইক্যংয়ের উপকূল অঞ্চলে টাকা না দেয়ায় ইউসুফ ও ফরিদের সাথে হাতা হাতির ঘটনা ঘটছে বলেও জানা যায়।

 

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বনকর্মীদের সহায়তায় টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত হতে মিয়ানমারের চোরাইকৃত জ্বালানী কাঠ অনুপ্রবেশ করেই চলছে। এ ব্যাপারে হোয়াইক্যং বিওপির কোম্পানী কমান্ডার ফজলুর রহমান জানান- বিগত দিনে সীমান্ত দিয়ে কাঠ পাচারের সময় একাধিকবার আটক করে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করেছিলাম। এখনো আমাদের চোখে পড়লে আইনগত ব্যাবস্থা নিবো। বিভিন্ন অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে টেকনাফের  উপকূলীয় বিট অফিসার আব্দুল আওয়াল জানান- এ সব বিষয়ে আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। তবে তা খতিয়ে দ্রুত আইনানুগ ব্যাবস্থ গ্রহণ করবো।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।