আদর্শ মানুষ গড়ার অনন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চকরিয়া কমার্স কলেজ

প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর দক্ষিণ চট্টগ্রামের বৃহত্তর বাণিজ্যিক রাজধাণী খ্যাত উপজেলা কক্সবাজারের চকরিয়া। উপজেলায় প্রসিদ্ধ তিনটি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চকরিয়া ডিগ্রী কলেজ, চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজ ও ডুলাহাজারা কলেজ রয়েছে। পাশাপাশি ভিন্ন আঙ্গিকে পরিপূর্ণতা দিতে আবাসিক-অনাবাসিক সুবিধাদি নিয়ে ২০১১ সালে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে চকরিয়া কমার্স কলেজ নামের বহু বৈশিষ্টের প্রযুক্তি নির্ভর এ প্রতিষ্ঠান। চকরিয়া উপজেলা নয়, এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান এবং পাঠদানের সুষ্ঠু পরিবেশ পুরো পর্যটন জেলা কক্সবাজারের শিানুরাগি মহলে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।
প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে প্রজন্মকে উপযুক্ত মানব সম্পদে রূপান্তর করার জন্য যুগপযোগি ও আধুনিক শিক্ষার বিকল্প নেই। আর তাই বিশ্বায়নের এ যুগে ব্যবসায় শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা শিক্ষার্থীদের কর্ণ কুহরে যথাযথভাবে পৌঁছে দেয়ায় হচ্ছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্টে গড়ে ওঠা এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য।
চকরিয়া কমার্স কলেজের উদ্দেশ্য- শিক্ষার্থীদেরকে সঠিকভাবে ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষিত করা, বাস্তব প্রশিক্ষণ ও নৈতিকভাবে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে অবস্থান সুদৃড় করা।
সূত্রমতে, চকরিয়া পৌর শহরের শহীদ আবদুল হামিদ পৌর বাস টার্মিনাল সংলগ্ন দক্ষিণে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য মন্ডিত মনোরম পরিবেশে ২০০৯ সালে কিছু সু-শিক্ষিত উদ্যমী উদ্যোক্তার হাত ধরে হাঁটি হাঁটি পা পা করে যাত্রা শুরু হয় এই কলেজের। আজ দেশের যে কোন মফস্বল এলাকার জন্য কলেজটি একটি আদর্শ নিদর্শণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উদ্যোক্তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ঐকান্তিক পরিশ্রমে কলেজটি তার আপন মহিমায় গৌরবোজ্জল স্থান করে নিতেও সম হয়েছে শুভাকাংখী ও শুভানুধ্যায়ি মহলে।

বিশ্বায়নের এসময়ে সকল শ্রেণীর নাগরিক যখন প্রতিযোগিতায় মত্ত, মানবিক মূলবোধ যেখানে নির্বাসিত, কিশোর-কিশোরীরা যখন অপসংস্কৃতির করাল গ্রাসে তাদের নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিতে বসেছে- তখনই বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ইউ.ডি.এ (প্রাঃ) লিঃ এর উদ্যমী উদ্যোক্তাদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় ব্যবসায় শিার জন্য বিশেষায়িত শিা প্রতিষ্ঠান “চকরিয়া কমার্স কলেজ”।
ইউ.ডি.এ (প্রাঃ) লিমিটেডের চেয়ারম্যান উত্তম কুমার চৌধুরী বলেন, শুধুমাত্র ভালো ছাত্র কিংবা ভাল ফলাফল নয়। এই কলেজ যাত্রা শুরু করেছে- প্রতিটি শিক্ষার্থী গড়ে উঠবে ভবিষ্যত বাংলাদেশের জন্য একজন সৎ, যোগ্য, দ ও আদর্শ সুনাগরিক হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে। এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা পাবে সেই শিক্ষা, যে শিক্ষা একজন শিক্ষার্থীকে সত্যিকারের মানুষ হতে শেখায়।
এ প্রতিবেদককে তিনি জানান, আমাদের  স্নেহের শিক্ষার্থীদের অনৈতিকতার অন্ধকার হতে বেরিয়ে এনে আলোর পথ অনুসরণের মাধ্যমে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলতে চাই। সেই লক্ষে মূলতঃ এ প্রতিষ্ঠানের যাত্রা।
তিনি আরো জানান, এ কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হচ্ছে- বর্তমান যুগের ক্রমবর্ধমান তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞান ধারণ করে নতুন শতাব্দির বুদ্ধিভিত্তিক চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলায় সম একটি আত্মপ্রত্যয়ী ভবিষ্যত প্রজš§ গড়ে গড়ে তোলা। ব্যবসায় শিক্ষাক্ষেত্রে ক্রমপ্রসারমান আলোকিত জগতে আমরা শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে চাই। এজন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে ইউ.ডি.এ পরিবারের সকল সদস্য ও একঝাঁক মেধাবী আদর্শবাদী নিবেদিত শিক্ষক-শিক্ষিকা।
ইউ.ডি.এ’র চেয়ারম্যান উত্তম কুমার চৌধুরী বলেন, সকলের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে আমরা আমাদের প্রচেষ্টাকে আরো সম্প্রসারিত করবো এবং এতদাঞ্চলের শিক্ষা খাতে এ প্রতিষ্ঠানকে অনন্য নিদর্শণ হিসেবে গড়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাবো।
প্রতিষ্ঠানের বৈশিষ্ট্য: গৌরবোজ্জল ফলাফল আকাংখীরা কেন বেছে নিবেন এ বৈশিষ্ট? নিন্মে তা তুলে ধরা হলো- (১) শতভাগ কাস নির্ভর (প্রাইভেটমুক্ত)  (২) রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস (৩) দক্ষ, উদ্যোমী ও অভিজ্ঞ শিক মন্ডলী (৪) সমৃদ্ধ পাঠাগার ও আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব (৫) দূর্বল ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বিশেষ যত্ন (৬) পাঠ অগ্রগতি ও কাসে উপস্থিতির ত্রৈমাসিক বিবরণ অভিভাবকদের নিকট প্রেরণ। (৭) শ্রেণীকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ। (৮) নিয়মিত শিক্ষক ও অভিভাবক অনুষ্ঠান (৯) মনোরম পরিবেশে অভিজ্ঞ শিক্ষকের পরিচালনায় রয়েছে শিক্ষার্থীদের আবাসিক ব্যবস্থা। (১০) শ্রেণী শিক্ষকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে কাউন্সেলিং গ্রুপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চরিত্র, আচরণ, মূল্যবোধ, নৈতিকতাসহ মানবিক গুণাবলির পরিপূর্ণ বিকাশের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ এবং ডেইলী অটো এসএমএস এলার্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কলেজে উপস্থিত ও কলেজ ত্যাগের বিষয় সময় উল্লেখ করে তাৎণিক অভিভাবকদের মোবাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে দেয়া হয়। তাছাড়া এই এসএমএস’র মাধ্যমে অভিভাবকদের জানিয়ে দেয় হয় শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির তথ্যও।
বিশেষ সুবিধা সমূহ: জিপিএ-৫ ভিত্তিক মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভর্তি ফি, সেশন ও বেতন ফ্রি এবং জিপিএ-৪.৭৫ এর উদ্ধে প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের  ক্ষেত্রে ভর্তি, সেশন ফি ও বেতন ২৫% ছাড়। এছাড়া রয়েছে প্রথম বছর থেকে কলেজের নামে বোর্ড পরীায় অংশগ্রহণের সুবিধা।
পরিশেষে, একটি সুসজ্জিত নৈতিকতা সমৃদ্ধ সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা ও আলোকিত ভবিষ্যত বিনির্মাণে সকলের প্রিয় সন্তানটি আজই সম্পৃক্ত করবেন এমন প্রত্যাশায় হাতছানি দিচ্ছে চকরিয়া কমার্স কলেজ। তাই উচ্চ শিক্ষার যাত্রা সুগমের প্রত্যাশার প্রতীক্ষা হোক স্বপ্ন পূরণের পথে উদ্দীপ্ত প্রেরণা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।