হোয়াইক্যংয়ে বন বিভাগের উচ্ছেদের নামে ভাংচুর, ২০ পরিবার গৃহহারা

টেকনাফের হোয়াইক্যং লম্বাঘোনা এলাকায় বন বিভাগের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নামে ব্যাপক ভাংচুরের গুরুতর অভিযো পাওয়া গেছে। এতে  ৪ নারী আহত হওয়ার পাশাপাশি ২ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জনান ক্ষতিগ্রস্থরা। আহতরা হলেন,  ছেনুয়ারা বেগম (৩০),  রুবিনা আক্তার (২১), অন্ধ প্রতিবন্ধি  নুর জাহান (৫০),  এবং মাইক্যচিং (৩০)। জানা গেছে, ২৪ মে সকাল সাড়ে ১০ টায় হোয়াইক্যং রেঞ্জ কর্মকর্তা মহি উদ্দিন ও বিট অফিসার  খন্দকার মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বনকর্মী ও সিপিজি গ্রুপ নিয়ে ১১ টি ঘর-বাড়ী উচ্ছেদ করেন।

 

ঘরের মালিকরা হলেন, মৃত মোঃ কালুর পুত্র আব্দুস সালাম, নুরুল আলমের পুত্র মোঃ ছলিম, আবুল হাশিমের পুত্র নুরুল হক, লাল মিয়ার পুত্র শাইর মোহাম্মদ, হোছন আলীর স্ত্রী আনোয়ার বেগম, খ্ইুল্যা মিয়ার স্ত্রী পেক্কু বেগম,  আব্দু শুক্কুরের স্ত্রী লাইলা বেগম, বাইগ্যমং চাকমার পুত্র মংসাই মিয়া, চু আং চাকমার পুত্র বিমল চাকমা, নুরুল আলমের পুত্র সনজিদা এবং উমর আলী। এদের দীর্ঘ বছরের ঘর-বাড়ী উচ্ছেদ হওয়ায় প্রায় ২০ টি পরিবার বাস স্থান হারিয়ে ফেলে। ক্ষতিগ্রস্থরা  বন বিভাগের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ তুলে বলেন, দীর্ঘ বছর ধরে আমরা এ ভিলেজারী জমিতে বসবাস করে আসছি। কিন্তু সম্প্রতি বন বিভাগর আমাদের বিনা নোটিশে হঠাৎ করে ভাংচুর চালায় পাশাপাশি টাকা পয়সা লুটপাটের ও অভিযোগ তুলেন। ক্ষতি গ্রস্থ

 

আব্দুস সালাম জানান, বনবিভাগের আওতায় হোয়াইক্যং নিয়োজিত বনকর্মী ও অফিসার প্রতি বাড়ি থেকে ৫ হাজার টাকা করে দাবী করে। তাদের দাবী অনুযায়ী সর্বমোট ২০ হাজার টাকা প্রদান করে  বাকী  টাকা না দেয়ায় আমাদের ঘরবাড়ী ভাংচুর করে।  সনজিদা জানান, ভাংচুরকারীরা আমার জমানো ১ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। মংক্যাচিংয়ের একই অভিযোগ তার ২ টি ছাতা, জাতীয় সনদ হারিয়ে গেছে।

 

এ ব্যাপারে হোয়াইক্যং ইউপি সদস্য মোস্তফা কামাল চৌধুরী ও দিল মোহাম্মদ বলেন, ‘বন বিভাগ অতর্কিতভাবে তাদের ঘর বাড়ী ভাংচুর করতে পারেনা। তারা ভাংচুরের সুষ্ঠু তদন্তের দাবী জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে হোয়াইক্যং রেঞ্জ কর্মকর্তা মুহি উদ্দিন টাকা নেওয়ার ব্যাপারে অস্বীকার করে বলেন, ডিএফও এবং এসিএফের নির্দেশ ক্রমে সংরক্ষতি বনাঞ্চল থেকে এ নতুন ঘর বাড়ী গুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।