এখনো ভোলা মনপুরায় চালু হয়নি যাত্রীবাহি সী-ট্রাক

মনপুরার সাথে নৌপথে গত ৩০ দিন ধরে জেলার যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এখনো যাত্রীবাহি সী-ট্রাক চালু না হওয়ায় ছোট ছোট ট্রলারে যাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। যে কোন সময়ে কালবৈশাখী ঝড়ে র্দূঘটনা ঘটার আশংকা করছে স্থানীয়রা। কবে নাগাদ এই রুটে যাত্রীবাহী সী-ট্রাক চালু হবে তাও আবার বলতে পারছেনা সংশ্লিষ্ট দপ্তর কর্মকর্তারা। এস.কে ট্রের্ডাসের ম্যানেজার ভুট্টো বলেন, মেশিনের কাজ চলছে। তবে ফের কখন সী-ট্রাক চালু হবে তিনিও বলতে পারছেনা।

 
সরেজমিনে দেখা যায়, তজুমুদ্দিনের কালু মাঝির ট্রলারে মাল আর মানুষ একসাথে যাতায়াত করছে। প্রচন্ড রোদে খোলা ট্রলারে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীরা যাতায়াত করছে। যাত্রী রহিমা বেগম বলেন, আমার স্বয়ামী ভোলার হাসপাতালে রইয়েছে, তারে দেখতে যামু, তাই ট্রলারে করে যাইতেছি, কি আর কমু ভাই। জীবনের ঝুঁকির কথা জানতে চাইলে বলেন, গরিবের আবার জীবন, আল্লাহ আছে আমাগো।  একইভাবে বলতে থাকেন ট্রলারে থাকা একের পর এক যাত্রীরা। সবাই কোন কোন কাজে যাচ্ছে ভোলায়। অনেকে আবার ক্ষোভের সহিত বলেন, এখন রাজনৈতিক নেতারা ও প্রশাসন কই? হেরা কি ঘুমায়? এদিকে মনপুরারা সোনালী ব্যাংকের ভোল্টে টাকা নেই। তাই প্রতিদিন গ্রাহক ফিরে যাচ্ছে বলে জানায় সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা। তারাও সী-ট্রাকে ভোলা হতে টাকা আনে বলে জানায়।

 
জানা যায়, টেন্ডারে পাওয়া এস,কে ট্রের্ডাস সী-ট্রাক না চালালেও ছোট ট্রলার দিয়ে তারাই যাত্রী পারাপার করছে। এই সমস্ত ট্রলার থেকে প্রতিদিন ২ হাজার টাকা করে নেয় বলে জানা যায়। এতে সী-ট্রাক চালুর চেয়ে না চললে তাদের লাভ বেশি বলে জানান অন্য একটি সূত্র। তবে এ ব্যাপারে এস.কে ট্রের্ডাসের সাথে আলাপ করলে তারা এ বিষয়টি এড়িয়ে যায়।

 
এদিকে স্থানীয়দের দাবী স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা সহ সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তারা যেন এ বিষয়টির উপর নজর দেয়।  যাতে কোন র্দূঘটনা ঘটার আগে দ্রুত এ রুটে পুনরায় সী-ট্রাক চালু হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।