পাবনার আতাইকুলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সহ ৩ আ.লীগ কর্মীকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

পাবনা জেলার আতাইকুলায় স্থানীয় চরমপন্থি বাহিনীর তিন আঞ্চলিক নেতাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা। শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পুষ্পবাজার এলাকায় তাদের হত্যা করা হয়। নিহতরা হলো- ধর্মগ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে সুলতান মাহমুদ, একই গ্রামের আবদুল মজিদের ছেলে ফজলুর রহমান ফজলু, পার্শ্ববর্তী পীরগাছা গ্রামের আফসার আলীর ছেলে আব্দুস সালাম।

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম আলী জানান, শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে তারা পুষ্পপাড়া বাজারে চায়ের দোকানে বসে ছিল। এ সময় একদল মুখোশধারী সন্ত্রাসী তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে এ তিনজনকে হত্যা করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।

নিহতদের বিরুদ্ধে ওই এলাকায় খুন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজিসহ ব্যাপক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তিনজনের মৃত্যুতে স্থানীয়রা আনন্দ-উল্লাস করেছে।

তবে পাল্টা আক্রমনের আশঙ্কায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। মুহূর্তে বাজারের সমস্ত দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ লাশ উদ্ধারের জন্যে ঘটনাস্থলে গেছেন।

একাধিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসীরা জানান, নিহত তিন সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে এলাকায় আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে চলাফেরা করলেও তারা মূলতঃ কথিত চরমপন্থি বাহিনীর আঞ্চলিক নেতা ছিল।

তারা এলাকায় খুন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ছিল। এদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পেত না।

আতাইকুলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান জানান, নিহতরা আওয়ামী লীগের কেউ নয়। কিন্তু তারা এলাকায় দলের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াতো।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।