অগ্নিকান্ড পরবর্তী সরকার দলীয় নেতা কর্তৃক সংখ্যালঘুর জায়গা দখলের অভিযোগ

রামু উপজেলার দূর্গম এলাকা কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের গর্জনিয়া বাজারে ১ জুন রবিবার ভোর ৫টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয়েছে। আগুনে অন্তত ৫০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে য়তির পরিমান প্রায় কয়েক কোটি টাকারও বেশী বলে ধারনা করছে স্থানীয়রা।
প্রত্যদর্শীরা জানান, বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে। সূত্র আরোও জানায়, ভোরে লোকজন মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়ার পরপরই তারা আগুনের লেলিহান দেখতে পায়। গর্জনিয়া বাজারের জনৈক ইজারাদার কলিম উল্লাহ ও মোহাম্মদ সেলিম সাংবাদিকদের জানান, ভোর ৫টা ১০ মিনিটের দিকে অজ্ঞাত একটি দোকান থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। মুহুর্তেই আগুন পুরো বাজার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
এছাড়াও অগ্নিকান্ড পরবর্তী স্থানীয় সরকার দলীয় নেতা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন কর্তৃক সংখ্যালঘু পরিবারের দোকান, প্লট ও জমি দখলের অভিযোগ ওঠেছে। উক্ত অগ্নিকান্ডের ঘটনায় য়তির শিকার সুবল বিশ্বাস জানান, গত সপ্তাহ খানেক আগেও তার বেশ কয়েকটি প্লট নুরুল আমিন চেয়ারম্যান দখল করে নিয়েছে। গতকালও অগ্নিকান্ডের পর তার দোকান ও প্লট দখল করতে সেখানে যায় নুরুল আমিন। তবে মুঠোফোনে কথা হলে ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন দখলকৃত দোকান ও প্লটটি তার নিজস্ব বলে দাবী করেন।
স্থানীয়রা আরোও জানান, দমকল বাহিনীর লোকজন আসার আগেই স্থানীয় লোকজন সেচের পানির পাম্প দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান। সকাল ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এই সময়ে ৫০টি দোকান ও বসতঘর পুড়ে যায়। পুড়ে যাওয়া দোকানের মধ্যে দোকানের সাথে লাগোয়া ৪টি বসতঘরও পুড়ে গেছে। তবে এঘটনায় হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে অগ্নিকান্ডের পরপরই কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু) আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুদ হেসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।