লাকসামে ৩৩ কেভি গ্রীড বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপনে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হ্রাস পাবে

কুমিল্লার লাকসামে ৩৩ কেভি গ্রীড বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপনের ফলে লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, সদর দক্ষিণ, নাঙ্গলকোট সহ এদতাঞ্চলের বিদ্যুৎতের চাহিদা পূরণ এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাট হ্রাস পাবে।
জানা যায়, লাকসাম থেকে জাঙ্গালিয়া ৩৩ কেভি লাইনের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। এ লাইনটি জাঙ্গালিয়া বিশ্বরোড হইতে লালমাই পর্যন্ত হইলাজলা এলাকার উপর দিয়ে স্থাপিত। হইলাজলায় সারা বছর পানি থাকায় বিদ্যুৎ লাইন মেরামতে নানান সমস্যা দেখা দেয়।
এছাড়াও লাকসাম-জাঙ্গালিয়া বিদ্যুৎ লাইনটি দুর্গম এলাকাসহ পুকুর,খাল, বিল ও গাছপালা থাকায় প্রাকৃতিক ঝড় বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। নিরবছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও লাকসাম, নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ সহ এ অঞ্চলের ছোট-বড় শিল্প কলকারখানার বিদ্যুৎতের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে লাকসামে ৩৩ কেভি গ্রীড বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপন করা হলে লাকসাম সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রায় ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎতের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।
অপরদিকে জাঙ্গালিয়া-লাকসাম পিডিবি ৩৩ কেভির একটি লাইন ও জাঙ্গালিয়া লাকসাম পিবিএস’র অনুকূলে ৩৩ কেভি লাইনের প্রয়োজন হবে না। অদূর ভবিষ্যতে বিদ্যুৎতের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে আরোও একটি ৩৩ কেভি লাইন নির্মাণ করার প্রয়োজন হবে। তাই লাকসামে ৩৩ কেভি গ্রীড উপকেন্দ্র স্থাপন করা হলে লাকসামসহ পার্শ্ববর্তী থানাগুলোর বিদ্যুৎ বিভ্রাট অনেকাংশে হ্রাস পাবে।
এ বিষয়ে লাকসাম পিডিবি’র সিনিয়র উপ সহকারী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন জানান, এ অঞ্চলের বিদ্যুৎতের চাহিদা পূরণ ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিদ্যুৎতের লাইনের ক্ষতি মোকাবেলার জন্য লাকসামে ৩৩ কেভি গ্রীড বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপন জরুরী।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।