চেয়ারম্যান পদে বিএনপির জয় আরো দুটি উপজেলায়

আরো দুটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা। সোমবার অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও নাটোরের নবগঠিত নলডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

নতুন উপজেলা পরিষদ হওয়ায় নলডাঙ্গার নির্বাচন ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন হওয়ায় এর এলাকা সম্প্রসারণের কারণে বন্দরের নির্বাচন দেরিতে হলো। সোমবার দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ শেষে রাতে এই দুই উপজেলার ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

আমাদের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান,  সোমবার রাতে ভোট গণণা শেষে চিংড়ি মাছ প্রতীকে বিএনপি সমর্থিত আতাউর রহমান মুকুলকে বেসরকারিভাবে জয়ী ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

আতাউর রহমান মুকুল ‘চিংড়ি’ প্রতীকে ১৯ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় পার্টি সমর্থিত দেলোয়ার হোসেন প্রধান ‘কাপ পিরিচ’ প্রতীকে পেয়েছেন ১১ হাজার ১৩২টি।

এই উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাইফুল ইসলাম ১৫ হাজার ৯৯৬ ভোট পেয়ে এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আইনজীবী মাহমুদা ৩৫ হাজার ৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

নাটোরে বিএনপির বিপুল জয়
নাটোর প্রতিনিধি জানান,  নবগঠিত নলডাঙ্গা উপজেলায় পরিষদে প্রথমবার ভোটেই চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

 
নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সাখাওয়াত হোসেন রাত সোয়া ১০টায় নলডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষণা অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন ৩৫ হাজার ৩৪৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী কে এম ফিরোজ,  যিনি পেয়েছেন ২৯ হাজার ২০৯ ভোট।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত জিয়াউর রহমান প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আখতার হোসেনের চেয়ে ১৬ হাজার ৪৭৮ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান (নারী) পদে বিএনপি সমর্থিত মহুয়া পারভিন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আঞ্জুয়ারা পারভিনের চেয়ে ১১ হাজার ৫১৮ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হন।

 
পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে নলডাঙ্গা উপজেলা গঠন করা হয় ২০১৩ সালে,  যার মোট ভোটার ৯২ হাজার ৭৪৫। এর আগে গত ১৯ মে ১২ উপজেলা পরিষদে নির্বাচনের মধ্যদিয়ে মোট বাংলাদেশের ৪৮৭ উপজেলার মধ্যে ৪৭৩টির নির্বাচন শেষ হয়। এই দুটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হওয়ায় সেই দাঁড়ালো ৪৭৫টিতে।

 
মেয়াদোত্তীর্ণ এবং আদালতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ থাকা বাকি উপজেলায় পরে ভোট নেয়া হবে বলে ইসি জানিয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।