উখিয়া সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী সমুদ্র সৈকত এলাকায় অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা সমূহ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। উখিয়া রেজু খালের মোহনা থেকে মনখালী পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ২৭ কিলোমিটার সমুদ্র তীর এলাকা জুড়ে গড়ে উঠা শত শত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

 

সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ১৫টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সম্প্রতি যোগাযোগ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী পরিদর্শন কালে ইনানী বীচ এলাকায় এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।
নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে বন বিভাগ, পুলিশের যৌথ অভিযানে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

 

গত ৯জুন সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত একটানা যৌথ অভিযান চালিয়ে সমুদ্র চরের ডেইলপাড়া থেকে নিদানিয়া পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকায় ১৫টি অবৈধ ঘর-বাড়ী, দোকানপাট ও অন্যান্য স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। ইসিএ এলাকাভুক্ত হওয়ায় সরকার ২০০০ সালে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের পশ্চিম পার্শ্বে যে কোন ধরনের স্থাপনা নির্মাণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু এক শ্রেণির জবর দখলকারী এসব নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সমুদ্রের জলোচ্ছাস থেকে উপকূলবর্তী রাকারী ঝাউ বাগান বিনাশ করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ অব্যাহত রাখে।

 
রেজু খালের মোহনা থেকে মনখালী পর্যন্ত সমুদ্র চরে, ঝাউ বাগানে ও মেরিন ড্রাইভ রোড সংলগ্ন প্রায় ২ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ঝাউ বাগান, পরিবেশ রাসহ বিভিন্ন কাজের অংশ হিসেবে সমুদ্র চর এলাকায় অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা সমূহ উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

 

উচ্ছেদ অভিযানকালে উপস্থিত ছিলেন, জালিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোছাইন চৌধুরী, ইনানী বন রেঞ্জ কর্মকর্তা সুনীল কুমার দেবরায়, উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা ইব্রাহীম হোসেন, উখিয়া থানার তদন্ত ওসি সিরাজুল ইসলামসহ কর্মকর্তাবৃন্দ। এ সময় ইনানী সহ-ব্যবস্থাপনা বন রা কমিটির সামাজিক বনায়নের শতাধিক বনরী উচ্ছেদ কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।