ধলঘাটা শরইতলা খাল ঘোনার পানি চলাচলের পথ বন্ধ! ডুবে গেছে রাস্তাঘাট, বসতবাড়ী - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

ধলঘাটা শরইতলা খাল ঘোনার পানি চলাচলের পথ বন্ধ! ডুবে গেছে রাস্তাঘাট, বসতবাড়ী



সরওয়ার কামাল মহেশখালী(কক্সবাজার), (খবর তরঙ্গ ডটকম)

সাগরের কুল ঘেষে অবস্থিত  ধলঘাটা ইউনিয়নের হামিদখালী সুইচগেইট  বন্ধের কারণে ইউনিয়নের প্রধান সড়কের একাংশের বসত বাড়ী পানিতে ডুবে গেছে  । যার কারণে সাধারণ  লোকজন চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে । নতুন ঘোনার উপর দিয়ে শরইতলা খাল ঘোনার পানি যেতে না দেয়ায়  ঐ এলাকা সহ সড়কটির চরম  বেহাল দশায় পরিণত   হয়েছে।


জানাযায়, মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা  ইউনিয়নটি  বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেষে অবস্থিত । এই ইউনিয়নের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হচ্ছে নাসির মুহাম্মদ ডেইল থেকে  সাপমারাডেইল সড়কটি। কিন্তু  ইউনিয়নের পশ্চিমের পানি চলাচলের জন্য  রয়েছে হামিদখালী সুইচ  গেইট। সুইচগেইট  সংলগ্ন  বনজামিরা ঘোনাটি বর্ষা মৌসুমের জন্য ইজারা দেয়া হয় চেয়ারম্যানের  উপস্থিতিতে। উক্ত ঘোনা ইজারা  দেওয়ার সময় সুইচগেইট টি উন্মুক্ত রাখার কথা রয়েছে। কিন্তু ইজারাদার তা তোয়াক্কা  না করে সুইচ  গেইট টি নিজ দখলে রাখায় সুতুরিয়া বাজার  ও পার্শ্ববতী বাড়ী ঘরের ময়লা আবর্জনা মজিদ কোম্পানীর পরিচালনাধীন শরইতলা খাল ঘোনার পানি দুষিত হয়ে পড়েছে। পানি থেকে বের  হচ্ছে গন্ধ।  মরে যাচ্ছে মাছ। তা ছাড়া উক্ত ঘোনার পানির কারণে ডুবে রয়েছে সুতুরিয়া বাজার থেকে উক্তর সুতুরিয়ার সড়কটি। স্থানীয়রা জানান, নতুন ঘোনার ইজারাদারের একগুয়েমীর কারণে এই অবস্থা সৃষ্টি  হয়েছে।


শরইতলা খাল ঘোনার ইজারাদার মজিদ কোম্পানী জানান ,নতুন ঘোনার ইজারাদার তৌহিদ  গং তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা দাবী করছে। তা না দেওয়ায়, শরইতলা খাল ঘোনার পানি নিস্কাশনের জন্য যে পলবোর্ড রয়েছে তা বন্ধ করে দিয়েছে। যার কারণে তার  বহু টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরো জানান, রাস্তাটি শুঁকিয়ে যাওয়ার জন্য  সামান্য পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থার উদ্যোগ নিতে অনুরোধ  করলে ও তৌহিদ  গং তা রক্ষা না করায় লোকজন চলাচলে  পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন  দুর্ভোগ। নতুন ঘোনার ইজারাদার তৌহিদ  জানান, হামিদখালী  সুইচ গেইট সংলগ্ন বনজামিরা ঘোনার ইজারাদার কে পানি নিস্কাশন ব্যাপারে যে টাকা দিয়েছি ঐ টাকার সমহারে ভাগ শরইতলার খাল ঘোনার ইজারাদার মজিদ কোম্পানী বহন না করায় পানি নিস্কাশনের পলবোর্ডটি বন্ধ করে দিয়েছি।


এই ব্যাপারে ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান কে ফোন করলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব  হয়নি। মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জামিরুল ইসলাম জানান ,জনগনের ক্ষতি হয় এমন কিছুই করা যাবে না। তবে এ বিষয়ে এখনো কেউ আমাকে অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


উপজেলা এর অন্যান্য খবরসমূহ
কক্সবাজার এর অন্যান্য খবরসমূহ
জেলা এর অন্যান্য খবরসমূহ
পূর্বের সংবাদ