মিথ্যা অপহরণ মামলা দিয়ে গ্রামপুলিশকে হয়রানীর অভিযোগ ! - খবর তরঙ্গ
শিরোনাম :

মিথ্যা অপহরণ মামলা দিয়ে গ্রামপুলিশকে হয়রানীর অভিযোগ !



তাবারক হোসেন আজাদ, (খবর তরঙ্গ ডটকম)

সন্তান অপহরণ নাটক সাজিয়ে মিথ্যা অভিযোগে এক গ্রামপুলিশ ও পুলিশ প্রশাসনকেও হয়রানী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলনে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে দক্ষিন চরবংশী ইউপির গ্রামপুলিশ আব্দুল বারেকসহ তার পাঁচ ভাই-বোন এ অভিযোগ করেন। এঘটনায় বিচার চেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও ওসির কাছে অভিযোগ করেছেন ওই গ্রামপুলিশ ।


আব্দুল বারেক লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রায় ১৮ বছর আগে তার বোন নুর খাতুনকে বিয়ে করেন তাদের পাশ্ববর্তী চরলক্ষী গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ মোল্লার ছেলে সুজন মোল্লা। তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও  এক ছেলে রয়েছে। স্বামী সুজন মোল্লার দ্বারা নুর খাতুন প্রায় সময় মানুষিক ও শারিরীক নির্যাতন অব্যাহত থাকায় প্রায় ৮ মাস আগে অভিভাবক ও গন্যমান্য ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার দেনমোহরে-তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর বাড়ী থেকে ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার পথে নুর খাতুন কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে সুজন মোল্লাসহ তার লোকজন। এঘটনায় ১৬ নভেম্বর আহত নুর খাতুন বাদী হয়ে সুজন মোল্লার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। পরে সুজন মোল্লা দেড় মাস জেল খাটার পর এমামলা সমাপ্ত করা হয়। এমামলায় স্বাক্ষি হওয়ায় গ্রাম পুলিশকে হত্যাসহ বিভিন্ন ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে আসছিলো সুজন মোল্লা। নিরুপায় হয়ে ২০১৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী গ্রামপুলিশ আব্দুল বারেক নিরাপত্তা চেয়ে আবার সুজন মোল্লার নামে থানায় সাধারন ডায়রি করেন। যা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এরই মধ্যে নুর খাতুন ঢাকায় চাকুরির সুবাধে দেন মোহর চেয়ে আগের স্বামী সুজন মোল্লার নামে ঢাকার আদালতে মামলা করেছেন। যা বিচারাধীন রয়েছে।  


এ মামলা থেকে বাঁচতে চলতি বছরের ৬ আগষ্ট সুজন মোল্লা তার দ্বিতীয় স্ত্রী রাবেয়া বেগমকে দিয়ে রাবেয়ার আগের সংসারের আরাফাত হোসেন নামের ১০ বছরের ছেলে অপহরন হয়েছে মর্মে গ্রামপুলিশ আব্দুল বারেক, তার ছেলে, বোন ও চার ভাইকে আসামী করে রায়পুরের হাজিমারা ফাঁড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু ওই দিন ইউনিয়ন পরিষদে বারেক দায়িত্বে ছিলেন বলে চেয়ারম্যান প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন। এছাড়াও ওই দিন নুর খাতুন  ও সুজন মোল্লাসহ তার স্ত্রীর সাথে ঝগড়া হয়েছে।  এঘটনার চারদিন পরেও আরিফকে তার বাড়ীর দরজায় দেখেছি।


সংবাদ সম্মেলন তিনি বলেন, যারা আমাকে এবং পুলিশ প্রশাসনকে মিথ্যা অপহরন মামলায় সাজিয়ে হয়রানী করছে আমি তাদের কঠোর শাস্তির দাবী করছি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ভাই রফিকুল, শফিকুল ও ছেলে রাতিন ।


রায়পুর থানার  ওসি আবদুল জলিল বলেন, গ্রামপুলিশসহ তার ছেলে ও ভাইদের বিরুদ্ধে অপহরন মামলার অভিযোগের বিষয়ে কিছুই জানিনা। খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


উপজেলা এর অন্যান্য খবরসমূহ
জেলা এর অন্যান্য খবরসমূহ
রায়পুর এর অন্যান্য খবরসমূহ
লক্ষীপুর এর অন্যান্য খবরসমূহ
লক্ষ্মীপুর এর অন্যান্য খবরসমূহ
পূর্বের সংবাদ