অবশেষে নতুন পাঁচটি ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন

অবশেষে নতুন পাঁচটি ব্যাংক ব্যবসা শুরু করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে  । এর ফলে এগুলোর ব্যাংক কোম্পানি গঠনের জন্য জয়েন স্টক কমিশনে আবেদন করতে আর কোনো বাধা রইল না। মঙ্গলবার বিকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সবায় এগুলোর অনুমোদন দেয়া হয়। সভা শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সূর চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য দেন।

এরআগে দুপুর দেড়টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড রুমে এ সভা শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এতে মোট ছয়টি ব্যাংকের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে পাঁচটি ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

অনুমোদন পাওয়া ব্যাংকগুলো হলো- এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার ব্যাংক, এনআরবি (গ্লোবাল) ব্যাংক ও মেঘনা ব্যাংক। তবে অনুমোদন পায়নি মিডল্যান্ড ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকে করা আবেদন অনুযায়ী এগুলোর মধ্যে ‘ইউনিয়ন ব্যাংকের’ প্রস্তাবকারী হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ব্যাংকটিতে এরশাদের প্রস্তাবিত শেয়ার ১০ শতাংশ। এ ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নাম রয়েছে শহীদুল আলমের।

জাতীয় পার্টির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গোলাম মসি ব্যাংকটির একজন উদ্যোক্তা।

‘সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক’- এর প্রস্তাবকারী হলেন অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী। এর চেয়ারম্যান হিসেবে নাম রয়েছে এসএম আমজাদ হোসেনের। এছাড়া সংসদ সদস্য এইচ এন আশিকুর রহমান ও নসরুল হামিদের প্রস্তাবিত ব্যাংক হচ্ছে ‘মেঘনা ব্যাংক’। ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে নাম রয়েছে আশিকুর রহমানের।

এর বাইরে অনুমোদন পাওয়া অপর দুটি ব্যাংক হলো- এনআরবি (প্রবাসী বাংলাদেশি) ব্যাংক। এ দুটি এনআরবি ব্যাংকের উদ্যোক্তারা হলেন- কতিপয় প্রবাসী বাংলাদেশি। এদের মধ্যে মূল উদ্যোক্তা রয়েছেন- যুক্তরাজ্য প্রবাসী ইকবাল আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসি ফরাসত আলী ও নিজাম চৌধুরী। এছাড়া মিডল্যান্ড ব্যাংকের উদ্যোক্তা হলেন মনিরুজ্জামান খন্দকার।

এস কে সূর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন থেকে অনুমোদন পাওয়া ব্যাংকগুলোকে আমরা জয়েন স্টক থেকে কোম্পানি আইনের অধীনে নিবন্ধন করতে পারবে। নিবন্ধন হয়ে গেলে তাদের ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরুর লাইসেন্স প্রদান করা হবে। এক্ষেত্রে এক সপ্তাহের মধ্যেই এগুলো হয়ে যাবে।’ তবে পরে তাদের শাখার জন্য আবার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শাখা খোলার অনুমাতি দেয়া হবে বলে তিনি জানান। এস কে সূর জানান, এক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগতে পারে। তবে পুরো প্রক্রিয়া আগামী এক-দুই মাসের মধ্যেই শেষ হতে পারে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।