কাগজপত্রে ঘাটতি থাকায় ভারত কার্লাইলকে প্রবেশ করতে দেয়নি: কাদের

‘খালেদা জিয়ার ব্রিটিশ আইনজীবী লর্ড কার্লা্ইলের ভারতে প্রবেশে কাগজপত্রে ঘাটতি থাকায় ভারত সরকার তাকে প্রবেশ করতে দেয়নি’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।শুক্রবার গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা ত্রিমোড়ে আগামী ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।খালেদা জিয়ার ব্রিটিশ আইনজীবী ভারতে আসতে বাধার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা ভারতের ইন্টারনাল বিষয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে বিষয়ে কিছুই করার নেই।

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, ‘আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, ভারতে কে আসবে কে আসবে না, ভারতে আসতে কার অনুমতি লাগবে, কীভাবে অনুমতি নিতে হবে, এটা ভারতের নিজেদের নিয়মকানুনের বিষয়। ভারতের নিজেদের সিদ্ধান্তের বিষয়। ভারত কাকে আসতে দেবে, কাকে দেবে না। ভারত থেকে বলা হয়েছে, ফরেন অফিস (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) থেকে যে এখানে প্রয়োজনীয় যে ডকুমেন্টস, কাগজপত্র এগুলোর ঘাটতি রয়েছে এবং ঘাটতি থাকার কারণে লর্ড সভার সদস্য কার্লাইলকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। এখন এই অনুমতির ব্যাপারটা সম্পূর্ণভাবে ভারত সরকারের বিষয়। এখানে বাংলাদেশ সরকারের কোনো প্রকার সম্পৃক্ততা বা বাংলাদেশ সরকারের কোনো প্রকার সম্পৃক্ততা এখানে নেই। এটা ভারতের ইন্টারনাল ম্যাটার (অভ্যন্তরীণ বিষয়)। এখানে বাংলাদেশ সরকার কেন এ ব্যাপারে ইন্টারফেয়ার (হস্তক্ষেপ) করবে?’

 

উল্লেখ্য, বুধবার (১১ জুলাই) গভীর রাতে দিল্লি বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান কার্লাইল। তখন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাকে জানান যে, ভারত সরকার তার ভিসা প্রত্যাহার করেছে। এরপর তাকে দিল্লীর বিমানবন্দর থেকেই লন্ডনের ফিরতি ফ্লাইটে তুলে দেয়া হয়। কার্লাইল বাংলাদেশে এসে সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার তার ভিসা দেয়নি। এজন্য তিনি ১৩ জুলাই (আজ) দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছিল।সিটি নির্বাচন নিয়ে সেতুমন্ত্রী জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়মাঅনুসারে নির্বাচন হবে। সরকার কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। এছাড়া সরকার দলের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হবে না।

 

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঈদে মহাসড়কের পাশে কোনো পশুর হাট বসবে না। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া ফিটনেজবিহীন পশুবাহী গাড়ী যাতে সমস্যা করতে না তার জন্য প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।তিনি আরো বলেন, এবারের ঈদ যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে অন্যান্য বছরের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এতো বেশি পুলিশ মোতায়েন করার প্রয়োজন পড়বে না। কারণ এবার রাস্তা অনেক প্রশস্ত করা হয়েছে এবং ২৩ ব্রিজের উপর দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে পারবে।