কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষককে বাঁচাতে প্রভাবশালীদের ধামাচাপার চেষ্টা চলছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় সরসপুর ইউনিয়নের গোটরা গ্রামে। স্থানীয় গোটরা নূরানী মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী কে পাশ্ববর্তী বাড়ীর দুবাই প্রবাসী আবদুল মমিনের ছেলে ফয়েজ আহমদ (২২) সন্ধ্যার আগে মাঠ থেকে ছাগল আনতে গেলে, পাশ্ববর্তী নতুন বাড়ীতে মুখ চেপে ধরে লম্পট ফয়েজ আহমদ তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষিতার আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। ধর্ষক ফয়েজ আহমদকে বাঁচাতে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার  আবুল বাশার,সাইফুল ইসলাম, সমাজপতি মোখলেছুর রহমান, মোরশেদ আলম, আবদুর রহিমসহ ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল করিমের নেতৃত্বে শালিস দরবার বসে। শালিসদাররা মামলা না করার শর্তে ধর্ষিতার প থেকে ১’শ পঞ্চাশ টাকার ষ্ট্যাম্পে স্বার করে নেয়। ধর্ষিতার অবস্থা গুরুতর দেখে লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। আশংকাজনক অবস্থায় কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করে। ধর্ষক ফয়েজ আহমদ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলা মানবাধিকার কমিশন সভাপতি মাহমুদুল হাসান রোম্মান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি অভিযোগের দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে দোষীদের শাস্তি দাবী করেন। ধামাচাপা দেওয়ার বিষয়ে সরসপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুর করিমের সাথে একাধিবার মুঠোফোনে যোগাযোগ চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। এদিকে ধর্ষিতার বোন বাদী হয়ে থানা ধর্ষনের অভিযোগ দায়ের করেছন।

তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষনের বিষয়ে মনোহরগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল আনোয়ার অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন ঘটনা শুনার সাথে সাথেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এই ব্যাপারে আমরা আইনি পদক্ষেপ নিব।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।