নিখোঁজ শ্রমিকদের বিষয়ে সরকারের বিশেষ সেল গঠনের দাবি নাগরিক সংগঠনের

একটি নাগরিক সংগঠন বলছে ২০০৫ সাল থেকে পরবর্তী নয় বছরে দুই শতাধিক গার্মেন্ট শ্রমিক বিভিন্ন দুর্ঘটনার পর নিখোঁজ হয়েছেন।

সংগঠনটির অভিযোগ, সরকার এবং বেসরকারি পর্যায় থেকে নিখোঁজ শ্রমিকদের সব সময়ই অবজ্ঞা ও উপেক্ষা করা হয়েছে। তারা এ বিষয়ে সরকারের একটি বিশেষ সেল গঠনের প্রস্তাব করেছেন।

কুড়িগ্রামের ভুড়ুঙ্গামারির বাসিন্দা মো আবদুল জব্বার থাকেন আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে। ২০১২ সালে তাজরিন ফ্যাশন্সে আগুন লাগার ঘটনায় বহু শ্রমিক যেমন নিহত হয়েছিল, তেমনি বহু শ্রমিক আহতও হয়েছেন। বেঁচে গেছেন অনেকেই। কিন্তু মো আবদুল জব্বারের দাবি ওই ঘটনার পর থেকে তিনি তার স্ত্রীকে আর খুঁজে পাননি।

তিনি বলেন, “২৪ নভেম্বর রাতে আমার স্ত্রী তাজরিনে কাজে ছিল। যখন আগুনটা ধরে তখন আমি ডিউটিতে ছিলাম। পাশেই আরেকটি কারখানায় আমি কাজ করতাম। সব জায়গায় খুঁজেছি। কোথাও আর তাকে পাই নাই। সব জায়গায় আত্মীয়রা খুঁজেছে। লাশও দেখেছি। সেখোনেও আইডেনটিফাই করতে পারিনাই। পরে জিডি করেছি। ডিএনএ টেস্ট হইছে। আমার শ্বশুর আর ছেলের রক্তের নমুনা নিছে। কিন্তু তারপর আর কিছু জানায় নাই।”

জব্বার বলছেন প্রশাসনের দিক থেকে তিনি এ বিষয়ে আর কোনো তথ্যই পাননি, বরং পেয়েছেন উপেক্ষা।

নিখোঁজ গার্মেন্ট শ্রমিকদের নিয়ে একটি গবেষনার পর এক্টিভিস্ট এনথ্রপলজিস্ট নামে একটি সংগঠন বলছে ২০০৫ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত নয় বছরে ২ শতাধিক গার্মেন্ট শ্রমিক মি জব্বারের স্ত্রীর মতো নিখোঁজ হয়েছেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।