মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে সমর্থন আমেরিকা ও বৃটেনের, স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার আহ্বান

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আযাদের ফাঁসির রায়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দুই প্রভাবশালী দেশ আমেরিকা ও বৃটেন। দুই দেশই পৃথক পৃথক বিবৃতিতে এ রায়ে সমর্থন জানালেও বিচারে স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। তবে বৃটেন ফাঁসির দণ্ডাদেশ নিয়ে তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে (বাংলাদেশের সময় বুধবার সকালে) এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তির রায়ে আমেরিকার সমর্থন রয়েছে।আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ভিক্টোরিয়া ন্যুল্যান্ড বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি এ ধরনের বিচার অবশ্যই অবাধ, স্বচ্ছ, নিজস্ব এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হতে হবে।”

বিবৃতিতে আরো বলা হয়,          “১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চালানো গণহত্যার বিচার শুরু হয়েছে এবং শিগগিরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আরো কয়েকটি মামলার রায় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব মামলার বিচারেও আন্তর্জাতিক সনদ অনুসরণ ও আইনের শাসনের নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছে আমেরিকা।”
এদিকে বৃটেনও এই বিচারে তাদের সমর্থনের কথা জানিয়েছে। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৭১ সালের নৃশংস কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ীদের বিচারে বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে বৃটিশ সরকার। তবে যেকোনা প্রেক্ষাপটে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান রয়েছে বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে।
উল্লেখ্য, সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়ে মাওলানা আবুল কালাম আযাদের ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আটটি অভিযোগের মধ্যে সাতটিই আদালতে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন বিচারক।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।