ব্রাজিলে সরকার বিরোধী আন্দোলনে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ

ব্রাজিল জুড়ে সরকার বিরোধী আন্দোলন আরো তীব্রতর হয়েছে। দেশটির প্রায়  একশ’টি শহরে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ সরকার বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। ব্রাজিলে গণপরিবহণের ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে যে বিক্ষোভের শুরু তা এখন সরকার বিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

অব্যাহত গণবিক্ষোভের মুখে দেশটির প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফ তার জাপান সফল বাতিল করেছেন। বৃহস্পতিবার গণপরিবহণের বর্ধিত ভাড়া প্রত্যাহারের ঘোষণা পরও ব্রাজিলের প্রায় একশ’টি শহরে হাজারো মানুষ তাদের বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে। সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে রিও ডি জেনিরো, সালভাদর, সাও পাওলো, ও রাজধানী ব্রাসিলিয়াতে।

সালভাদরে কনফেডারেশনস কাপের খেলা চলাকালে স্টেডিয়ামের আশপাশে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সরকারি ভবনে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা।

পুলিশের ব্যারিকেড, টিয়ার গ্যাস আর রাবার বুলেটের মধ্যেই দিনভর চলতে থাকে বিক্ষোভ।কয়েকদিন আগে ১০ শতাংশ যানবাহন ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির সরকার।

আর তার প্রতিবাদেই বিক্ষোভের শুরু হলেও কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিষয়টি পরিণত হয় দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনে।

২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করছে ব্রাজিল সরকার। সেই কারণে ব্যয় হচ্ছে প্রচুর অর্থ। আর সেই অর্থের যোগান দিতে বাড়ানো হয়েছে কর ও দ্রব্যমূল্য।

এছাড়াও বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনার কারণেও বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে সাধারণ তার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে এখন এই বিক্ষোভ পরিণত হয়েছে সরকার বিরোধী আন্দোলনে।
গত বিশ বছরে ব্রাজিলে এটিই সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। সূত্র: বিবিসি


সম্পাদনা: শামীম ইবনে মাজহার,নিউজরুম এডিটর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।