ইতালি উপকূলে নৌ-যান আগুন ধরে ডুবে যা ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ৩শ’ ছাড়িয়ে যেতে পারে

ইতালির লাম্পেদুসা দ্বীপের কাছে  পাঁচশ’র বেশি আফ্রিকান অভিবাসী নিয়ে নৌ-যানটি লাম্পেদুসা দ্বীপের কাছে আগুন ধরে ডুবে যায়। নৌ-যান ডুবে যাওয়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা তিনশ’ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সিসিলির উপকূলে রক্ষীরা এখন পর্যন্ত ১৩০ টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এখনও উদ্ধারকারীদের অভিযান চলছে।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী এই ঘটনায় দেশটিতে একদিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছেন।

জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর বলছে, নৌ-যানটি যাত্রা শুরু করেছিলো লিবিয়া থেকে এবং এর যাত্রীরা মূলত আফ্রিকার ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়ার অধিবাসী।

নৌ-যানে আগুন লাগার পর আরোহীরা সবাই হুড়োহুড়ি করে এটির একপাশে চলে গেলে নৌ-যানটি ডুবে যায়। সমুদ্র থেকে এপর্যন্ত দেড়শ’ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

সিসিলির কাছে অবস্থিত লাম্পেদুসা দ্বীপটি আফ্রিকা থেকে অবৈধ অভিবাসীদের ইউরোপে প্রবেশের একটি প্রধান পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

জাতিসংঘ বলছে, ভূমধ্যসাগর দিয়ে ইউরোপ যাওয়ার সময় লাম্পেদুসা দ্বীপের কাছে ১৯৯০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছে।

ইউএনএইচসিআর বলছে, শুধুমাত্র এ বছরই প্রায় ৩০ হাজার আশ্রয়প্রার্থী ইতালির উপকূল দিয়ে ইউরোপে ঢুকেছে যাদের বেশিরভাগই এসেছে লিবিয়া হয়ে।

সংস্থাটি বলছে আফ্রিকার দারিদ্র্য-পীড়িত দেশগুলোর হাজার হাজার মানুষ প্রতিবছর এ ধরনের বিপজ্জনক যাত্রা করে ইতালিতে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করে থাকে।

এর আগে এ সপ্তাহের শুরুতে ইতালির সিসিলি উপকূলে যাওয়ার চেষ্টার সময় ১৩ অভিবাসী ডুবে মারা যায়।

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।