কে পাচ্ছেন নোবেল শান্তি পুরস্কার?ঘোষণা হবে আজ

আজ ঘোষণা করা হবে বহুল প্রতীক্ষিত নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর নাম। নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি যথারীতি এ সম্পর্কে কোনো ক্লু প্রকাশ করেনি। তবে এ নিয়ে চলছে বিস্তর কানাঘুষা।

 

মুসলিম শরণার্থীদের জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত করে এবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের  জন্য আলোচনায় শীর্ষে আছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল।

 

এছাড়া আলোচনায় আছেন ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস।

 

আলোচনায় উঠে এসেছে ইরানের পরমাণু চুক্তির প্রধান খেলোয়াড় এবং ইসলামের সমালোচনাকারী এক সৌদি ব্লগারের নাম।

 

অ্যাঙ্গেলা মেরকেল

ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তিচুক্তির দূতিয়ালী করে গত ১ ফেব্রুয়ারি নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন পান মেরকেল।

এরপর মুসলিম শরণার্থীদের জন্য সীমান্ত উন্মুক্ত করে দিয়ে তিনি আরো বেশি আলোচনায় আসেন।

নোবেল শান্তি কমিটি এ বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে পারে। ব্রিটিশ বাজির প্রতিষ্ঠান উইলিয়াম হিলে তার নামই সর্বাগ্রে এসেছে।

যাজক মুসি জেরাই

আফ্রিকা থেকে ইউরোপে পাড়ি দেয়া মানুষদের মানবিক সহায়তা দিয়ে এবার শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন পেয়েছেন ইরিত্রিয়ার ক্যাথলিক যাজক মুসি জেরাই।

পোপ ফ্রান্সিস

ক্যাথলিক ধর্মগুরুদের নোবেল শান্তি দেয়ার ব্যাপারে নোবেল শান্তি কমিটি অনীহা দেখিয়ে এলেও দরিদ্রদের জন্য উচ্চকণ্ঠ হওয়া, গির্জায় উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দেয়ার আহ্বান এবং যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে ভূমিকা রাখায় এবার শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস।

তবে এখন পর্যন্ত তিনি  কোনো পুরস্কার গ্রহণ করেননি। তাকে দেয়া পুরস্কার তিনি ফিরিয়ে দিয়েছেন।

রাইফ বাদাওই

সৌদি আরবের আলেমদের সমালোচকারী ব্লগার রাইফ বাদাওইকে ইসলামের অবমাননার অভিযোগে সৌদি সরকার গত বছর ১০ বছর  কারাদণ্ড এবং ১০০০ বেত্রাঘাত দিয়েছে।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, স্বাধীন মত প্রকাশকারীদের ওপর সৌদি সরকারের দমনপীড়নের অংশ হিসেবে এ সাজা দেয়া হয়েছে।

জন কেরি ও জাভেদ জারিফ

গত জুলাইয়ে ইরানের সাথে ছয় বিশ্বশক্তির পরমাণু চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ এবং তার মার্কিন কাউন্টারপার্ট জন কেরিও পেয়ে যেতে পারেন বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাবান এই পুরস্কার।

সূত্র: এপি

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।