কাবুলে ভয়াবহ গাড়িবোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের পুলিশ চেকপয়েন্টে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০০ তে দাঁড়িয়েছে। এতে আরো ১৫৮ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা।শনিবার কাবুলের দূতাবাস এলাকা ও সরকারি দপ্তরগুলোর কাছে একটি অ্যাম্বুলেন্সে লুকিয়ে রাখা বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিস্ফোরণের ধাক্কায় কয়েক শত মিটার দূরের ভবনও কেঁপে ওঠে। অনেক দূর থেকে শহরকেন্দ্রের ওই বিস্ফোরণস্থলের ওপর ধূসর ধোঁয়ার কুণ্ডুলি দেখা যায়।

 

হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াহিদ মাজরো জানান, শনিবারের এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা অন্তত ১০০ জনে দাঁড়িয়েছে এবং ১৫৮ জন আহত হয়েছেন। খবর রয়টার্সের।মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।ওয়াহিদ মাজরো আরও জানান, মধ্যাহ্নভোজের সময় শহরের একটি ব্যস্ত এলাকার একটি সড়কে হামলাটি চালানো হয়।

 

বিস্ফোরণের সময় কাছাকাছি থাকা পার্লামেন্ট সদস্য মিরওয়াইস ইয়াসিনি জানিয়েছেন, অ্যাম্বুলেন্সটি চেকপোস্টের দিকে এগিয়ে হাই পিস কাউন্সিলের দফতর ও বিদেশি কয়েকটি দূতাবাসের কাছে এসে বিস্ফোরণ ঘটায়।হতাহত বহু মানুষ ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।গত মে মাসের পর থেকে এটি কাবুলে চালানো সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী হামলা।তালেবান এ হামলার দায় স্বীকার করে বার্তা দিয়েছে বলে এএফপির খবরে বলা হয়েছে।

 

এক সপ্তাহ আগে কাবুলের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে চালানো হামলায় দায়ও স্বীকার করেছিল তালেবান। ওই হামলায় ২০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছিল।এর আগে শনিবার কাবুলের একটি পুলিশ চেকপয়েন্টে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই অন্তত ৪০ জন নিহত হন।শনিবারের আত্মঘাতী এই হামলাটি চালানো হয়েছে কাবুলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুরনো ভবনের ঠিক পাশেই।হামলাস্থলের নিকটবর্তী ট্রমা হাসপাতালের পরিচালনা প্রতিষ্ঠান ইতালীয় ত্রাণ সংস্থা ইমার্জেন্সির সমন্বয়ক দেইয়ান পানিক বলেন, ‘এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড।’শুধু তাদের হাসপাতালেই ৫০ জনেরও বেশি আহতকে ভর্তি করা হয়েছে বলে এক টুইটার বার্তায় জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

 

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াহিদ মাজরোহ আরো জানান, মধ্যাহ্নভোজের সময় শহরের একটি ব্যস্ত এলাকার একটি সড়কে হামলাটি চালানো হয়। হামলার সময় ওই এলাকায় বিপুলসংখ্যক লোকজন ছিল।এক সপ্তাহ আগে কাবুলের ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে চালানো হামলায় ২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল।