ফিনল্যান্ডে ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক ১৬ জুলাই, আলোচনায় যা থাকতে পারে

অবশেষে ১৬ জুলাই ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্রেমলিন এবং হোয়াইট হাউজ বৃহস্পতিবার একথা নিশ্চিত করেছে।এর আগে বুধবার সকালে বিবিসিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠকের বিষয়ে রাজী হয়েছে মস্কো আর ওয়াশিংটন।

প্রেসিডেন্ট পুতিন ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শক জন বোল্টনের এক বৈঠকের পর এই ঘোষণা দেয়া হয়।

ট্রাম্প বলেছেন, আগামী মাসে ব্রাসেলসে ন্যাটো’র বৈঠকের পর ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে এই বৈঠক হতে পারে।

ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কিতে এই বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

নভেম্বরে এশিয়া প্যাসিফিক সামিটের সময় ভিয়েতনামে শেষবার দেখা হয়েছিল ভ্লাদিমির পুতিন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

বুধবার ক্রেমলিনের বৈদেশিক নীতি বিষয়ক পরামর্শক ইউরি উশাকভ দুই নেতার সম্ভাব্য বৈঠকের ঘোষণা দেন।

উশাকভ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বৈঠকের তারিখ ও স্থান।

যা থাকতে পারে আলোচনায়

রুশ প্রেসিডেন্টের সাথে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শক জন বোল্টন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান দুই নেতার বৈঠকের সিদ্ধান্ত।

বোল্টন বলেন, এই বৈঠকের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্কে উন্নয়ন করতে চান দুই নেতা।

বোল্টন বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রেসিডেন্ট পুতিন দুজনই মনে করেন নিজেদের মধ্যে সমস্যা দূর করা ও সহযোগিতার সুযোগ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই দুই দেশের নেতাদের একসাথে আলোচনা করে উচিত। শুধু যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কই নয়, আমি মনে করি দুই নেতাই বিশ্বাস করেন যে এই বৈঠক বৈশ্বিক অস্থিরতা নিরসনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অন্যদিকে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানিয়েছেন, সিরিয়া যুদ্ধ ও ইউক্রেন সঙ্কট নিয়ে পুতিনের সাথে আলোচনা করতে পারেন তিনি।

পুতিন বলেছেন, জন বোল্টনের সাথে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক পুন:প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

পুতিন স্বীকার করেছেন যে, দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কিছুটা শীতল অবস্থায় রয়েছে।

পুতিন বলেছেন, মস্কোর পক্ষ থেকে কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা করা হয়নি এবং তার দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণেই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে ফাটল দেখা গেছে।